রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ০১:৪২ অপরাহ্ন

ওয়াসিম আকরামের চেয়েও বড় ক্রিকেটার রশিদ: লতিফ

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
  • ৪৯ Time View

স্পোর্টস ডেস্ক : লম্বা রানআপ ও জোরের ওপর বল করতে হয় বলে পেসারদের ক্যারিয়ারটা খুব বেশি লম্বা হতে দেখা যায় না। তাই চোট এড়িয়ে লম্বা সময় দলকে সার্ভিস দেওয়া স্পিনাররাই যেকোনো দলের বোলিং ডিপার্টমেন্টের মূল শক্তিতে পরিণত হন। এই যেমন আসন্ন চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির কথায় ধরা যাক। যেখানে ভারত তাদের ১৫ সদস্যের স্কোয়াডে জায়গা দিয়েছেন ৫ স্পিনারকে।

ক্রিকেট ইতিহাসের শুরু থেকেই দলকে জেতাতে ম্যাচে কার্যকর ভূমিকা রেখে আসছেন স্পিনাররা। আধুনিক ক্রিকেটে তো এখন পেসের বদলে স্পিনারদের দিয়েও ইনিংস শুরু করতে দেখা যায় হরহামেশাই। অর্থাৎ কদর বাড়ছে স্পিনারদের। তবে শুধু যে এখন কদর বাড়ছে স্পিনারদের তেমনটি নয়। উইকেট নেওয়ায় বরাবরই পেসারদের থেকে ঢের এগিয়ে স্পিনাররা। জাদুকরী ঘূর্ণি কিংবা স্পিন বিষে ব্যাটারদের বুকে কাঁপন ধরাতেন এমন ৫ স্পিনারকে নিয়েই এই প্রতিবেদন।মুত্তিয়া মুরালিধরন- (১৯৯২-২০১১) শ্রীলংকা
স্পিনারদের কথা উঠলে সেখানে অবধারিতভাবেই থাকবেন মুরালিধরন। বিস্ময়কর অঙ্গভঙ্গি ও অ্যাকশনে ব্যাটারদের বিভ্রান্তিতে ফেলতেন মুরালি। বলের বাঁকে ঘায়েল হতো প্রতিপক্ষের ব্যাটাররা। বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি উইকেট নেওয়ার কীর্তিটাও তার। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিন ফরম্যাটে মুরালির উইকেট সংখ্যা ১৩৪৭। যার মধ্যে টেস্টেই তার উইকেট রেকর্ড ৮০০টি।

শেন ওয়ার্ন (১৯৯২-২০০৭) অস্ট্রেলিয়া

ক্রিকেটে সবচেয়ে কঠিন কাজগুলোর মধ্যে একটি লেগ স্পিন। আর সেই স্পিনটাই হেসেখেলে করতেন ওয়ার্ন। লেগ স্টাম্পের অনেক বাইরে বল ফেলতেন যা ওয়াইড ডেলিভারি ভেবে ছেড়ে দিয়ে বোকা বনে যেতেন ব্যাটার। পেছনে থেকে স্টাম্প উপড়ে যেত। উল্লাসে মাততেন ওয়ার্ন। স্পিন জাদুকর বলা হতো তাকে। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে ওয়ার্নের উইকেট সংখ্যা ১০০১টি। ৩৩৯ ম্যাচে এই কীর্তি গড়েছেন তিনি। এখনও এই অজি লেগস্পিনারদের কাছে এক আদর্শের নাম।

অনিল কুম্বলে (১৯৯০-২০০৮) ভারত

ভারতের অন্যতম সফল স্পিনারদের মধ্যে একজন তিনি। তাকে আদর্শ মেনেই ভারতীয় ক্রিকেটাররা স্পিনার হতে পারেন। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে ৪০৩ ম্যাচে তার উইকেট সংখ্যা ৯৫৬টি। ভারতীয়দের মধ্যে সর্বাধিক উইকেট সংগ্রাহক তিনি।

সাকিব আল হাসান (২০০৬-২০২৪) বাংলাদেশ

সাকিবের বোলিং ক্যারিয়ারটা বলতে গেলে এখন শেষ হয়ে গেছে। নিষেধাজ্ঞায় পড়ায় এখন বল হাতে দেখা যায় না সাকিবকে। যে কারণে গোটা বিশ্বেই কদর কমেছে তার। তবে দীর্ঘ ক্যারিয়ারে এই বোলিংই ছিল সাকিবের প্রধান হাতিয়ার। নিজের দিনে প্রতিপক্ষের ব্যাটারদরে গুঁড়িয়ে দেওয়ার সামর্থ্য আছে তার। ক্যারিয়ারে ২৫ বার ম্যাচে ৫ বার তার বেশি উইকেট শিকার করার কীর্তি আছে তার। সব মিলিয়ে ৪৪৭ ম্যাচে সাকিবের উইকেট সংখ্যা ৭১২টি। তাই সাকিবকে সতর্কতার সঙ্গেই মোকাবেলা করতে হয়েছে ব্যাটারদের।

রশিদ খান (২০১৫- বর্তমান) আফগানিস্তান

বর্তমান প্রজন্মের স্পিনারদের মধ্যে যার ভয়ে তটস্থ থাকে প্রতিপক্ষের ব্যাটারা সেই স্পিনারের নাম রশিদ খান। নিজের দিনে প্রতিপক্ষের ব্যাটারদের একাই ধসিয়ে দিতে পারেন তিনি। তার গুগলি ও লেগ স্পিনে কাবু এ সময়ের ব্যাটাররা। তাই যতটা সম্ভব রশিদকে মাঠে সম্মান করতেই দেখা যায় ব্যাটারদের। খুব প্রয়োজন না হলে রশিদকে ছেড়ে খেলাকেই শ্রেয় মনে করেন সিংহভাগ ব্যাটার। তবে রশিদ যে ছেড়ে দেন তা নয়। ঠিকই স্পিন ফাঁদে ফেলে আদায় করে নেন উইকেট। এখন পর্যন্ত ২১৩ ম্যাচে এই স্পিনারের উইকেট সংখ্যা ৪০৪।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৫,/বিকাল ৪:২০

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

March 2026
M T W T F S S
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
2425262728  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit