শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ০৭:০২ অপরাহ্ন
শিরোনাম
বিশ্বকাপের অংশীদারিত্ব ইস্যুতে পদত্যাগ করলেন ইনফান্তিনোর উপদেষ্টা বেলুচিস্তানে কয়লাখনিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত ৩২ মরক্কো থেকে স্পেনে হাজারো অভিবাসীর অনুপ্রবেশ, ৯ জনের মৃত্যু মরক্কো দিয়ে নজিরবিহীন অনুপ্রবেশ, সীমান্তে সেনা পাঠাচ্ছে স্পেন টমেটো খেয়ে ১৫ হাতির মৃত্যু শেখ হাসিনাকে কোনো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে দেয়া হচ্ছে না: ভারত মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের নির্বাহী কমিটিতে এমপি ফজলুর রহমান জ্বালানি তেলের বাজার ঊর্ধ্বমুখী, এক মাসেই দর বেড়েছে প্রায় ২০ শতাংশ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘জুলাইবিরোধী’ ৭ শিক্ষককে অব্যাহতি বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক শক্তিশালী করার ইঙ্গিত মার্কিন দূতের

বাংলাদেশকে আরও সাড়ে ৬৪ কোটি ডলার দিচ্ছে আইএমএফ

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১৯ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ৫৫ Time View

ডেস্ক নিউজ : আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা আইএমএফ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, বাংলাদেশের জন্য চলমান ঋণ কর্মসূচির অধীনে দেশটিকে আরও ৬৪ কোটি ৫০ লাখ ডলার ছাড় করবে তারা।

বুধবার সন্ধ্যায় ওয়েবসাইটে বিজ্ঞপ্তি আকারে তাদের বক্তব্য প্রকাশ করেছে আইএমএফ। সংস্থাটি বলছে, বাংলাদেশের অর্থনীতি ধারাবাহিক চ্যালেঞ্জের মধ্যে রয়েছে এবং অর্থনৈতিক সহায়তার প্রয়োজন বাড়ছে।

সংস্থাটির একটি দল চতুর্থ কিস্তি ছাড়ের আগে পর্যালোচনার জন্য গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে ঢাকায় রয়েছে। বুধবার শেষ দিনে দলটির প্রধান ক্রিস পাপজর্জিও বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের সাথে সমঝোতায় পৌঁছেছেন বলে বিবৃতিতে জানান।

বিবৃতিতে বলা হয়, “আইএমএফ’র নির্বাহী বোর্ড বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের আগের নেয়া পদক্ষেপগুলো কতটা বাস্তবায়ন হলো তা পর্যালোচনার বিষয়টি বিবেচনা করবে। সময়মত অন্তর্বর্তী সরকারের গঠন অর্থনীতিতে স্বাভাবিক করতে ভূমিকা রেখেছে। যদিও অর্থনৈতিক কার্যক্রমের গতি অত্যন্ত ধীর এবং মূল্যস্ফীতি বেড়েই চলেছে।”

এতে আরও বলা হয় জিডিপির প্রকৃত বৃদ্ধি ২০২৫ অর্থ বছরে কমে ৩ দশমিক ৮ শতাংশ হতে পারে। গণআন্দোলন, বন্যা, কঠোর নীতির কারণে এটা হতে পারে। যদিও ২০২৬ সালে এটি ঘুরে দাঁড়িয়ে ৬ দশমিক ৭ শতাংশ হতে পারে।

এর আগে, গত জুনে তৃতীয় কিস্তির ১১৫ কোটি ডলার ছাড়ের অনুমোদন দিয়েছিল সংস্থাটি। ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে বাংলাদেশের জন্য ৪৭০ কোটি মার্কিন ডলারের ঋণের অনুমোদন দিয়েছিল আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা আইএমএফ।

তখন আইএমএফ বলেছিল যে মোট সাত কিস্তিতে এই ঋণ পাবে বাংলাদেশ, যাতে ঋণের গড় সুদ হবে ২ দশমিক ২ শতাংশ। তবে ঋণ পেতে বরাবরের মতোই বেশ কিছু সংস্কারের শর্ত দিয়েছে তারা।

এর মধ্যে রয়েছে জ্বালানিসহ বিভিন্ন খাতের ভর্তুকি কমানো, টাকার বিনিময় ব্যবস্থা বাজারের উপর ছেড়ে দেয়া, রাজস্ব ব্যবস্থার সংস্কার, কর আদায়ে সক্ষমতা বৃদ্ধি, ব্যাংকিং খাতের সংস্কার, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, আধুনিক মুদ্রানীতি তৈরি, আর্থিক খাতের দুর্বলতা দূর করা এবং নজরদারি বাড়ানো ইত্যাদি। এসব বিষয়ে বেশ কিছু পদক্ষেপ ইতোমধ্যেই নিয়েছে বাংলাদেশের সরকার।

কিউএনবি/অনিমা/১৯ ডিসেম্বর ২০২৪,/দুপুর ২:৩৩

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit