স্পোর্টস ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি ২০২৬ বিশ্বকাপের আয়োজক কানাডা ও মেক্সিকোও। ৩টি দেশের ১৬টি শহরে খেলা হবে। গত আসরগুলোর তুলনায় যেখানে থাকছে ব্যাপক নিয়মের রদবদল। আগের আসরগুলোতে ৩২টি দল অংশ নিলেও, এবার দলের সংখ্যা বাড়িয়ে করা হয়েছে ৪৮।
বিশ্বকাপের নিয়মে পরিবর্তনের পর চাপ বেড়েছে আয়োজকদের। সবচেয়ে বেশি বিপাকে যুক্তরাষ্ট্র। মূলত তাদের কোনো স্টেডিয়াম ফুটবল মাঠের আদলে তৈরি করা হয় না। রাগবির স্টেডিয়ামকে ফুটবল খেলার জন্য উপযোগী করে আয়োজন করা হয় টুর্নামেন্ট। সমস্যাটা এখানেই। সেটার সমাধান টানতে চায় তারা।
হাতে সময় ২ বছরেরও কম। পিচের নিম্নমান কাটাতে কাজ করছেন ইউনিভার্সিটি অফ টেনেসি ও মিশিগান স্টেট ইউনিভার্সিটির একদল টার্ফ গবেষক। ১৯৯৪ সালে যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বকাপের মতো ইন্ডোরে যেন খেলার আয়োজন করতে না হয় সেই চ্যালেঞ্জ তাদের সামনে।
এসব নিয়ে টার্ফ বিশেষজ্ঞ ট্রেই রজার্স বলেন, ‘সব বিশ্বকাপের ম্যাচগুলো ন্যাচারাল (প্রাকৃতিক) টার্ফে আয়োজন করতে হয়। তাই যদি তারা ন্যাচারাল টার্ফে খেলে এবং এর জন্য তারা ন্যাশনাল ফুটবল লিগ স্টেডিয়ামকে বাছাই করে, তাহলে আমাদের একটি অস্থায়ী মাঠ তৈরি করতে হবে। তিনটি দেশের ১৬টি স্টেডিয়ামের মধ্যে ৮টি স্টেডিয়ামেই অস্থায়ী মাঠের প্রয়োজন হবে।’
কিউএনবি/আয়শা/৩১ অগাস্ট ২০২৪,/রাত ৮:০৪