ডেস্ক নিউজ : এ সময় খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. মোজাম্মেল হক, অতিরিক্ত কমিশনার সরদার রকিবুল ইসলাম ও তাসলিমা খাতুনসহ পুলিশ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। গার্ড অব অনার শেষে পরিবার মরদেহ নিয়ে বাগেরহাটের কচুয়ায় রওনা হয়েছেন। সেখানেই তার শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে।
খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) কমিশনার মো. মোজাম্মেল হক বলেন, নিহতের পরিবারকে তাৎক্ষণিক এক লাখ টাকা এবং মরদেহ সৎকারে আরও ২৫ হাজার টাকা দেয়া হয়েছে। পুলিশ মহাপরিদর্শকের পক্ষ থেকে আট লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র এবং নগদ দুই লাখ টাকা দেয়া হবে। এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর তহবিল থেকে আর্থিক সাহায্য করা হবে। সুমনের পরিবারে পুলিশে চাকরির উপযোগী কেউ থাকলে তাকে চাকরির ব্যবস্থা করা হবে। কেএমপি আজীবন পরিবারটির পাশে থাকবে।
পুলিশ কনস্টেবল সুমনের হত্যাকারীদের বিচার করা হবে বলেও তিনি জানিয়েছেন। এর আগে গতকাল শুক্রবার (২ আগস্ট) সন্ধ্যায় সংঘর্ষ চলাকালে আন্দোলনকারীদের পিটুনিতে সুমন কুমার ঘরামী নিহত হন। তিনি স্ত্রী ও মেয়েকে নিয়ে নগরীর বয়রা এলাকায় ভাড়া থাকতেন। সুমন খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের সোনাডাঙ্গা জোনের সহকারী কমিশনার সৌমেন বিশ্বাসের দেহরক্ষী ছিলেন।
কিউএনবি/আয়শা/০৩ অগাস্ট ২০২৪,/সন্ধ্যা ৭:৪৪