এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, ‘আবহমান কাল থেকে বাঙালি জাতি নিজস্ব ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, রীতি-নীতি ও বর্ণাঢ্য আয়োজনের মাধ্যমে পহেলা বৈশাখ উদযাপন করে আসছে। বাংলা নববর্ষের উৎসব একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক উৎসব। এর সঙ্গে রয়েছে আদিবাসী জনগোষ্ঠীসহ দেশের সব নৃ-গোষ্ঠীর নিবিড় সম্পর্ক। পহেলা বৈশাখ সব ধর্ম, বর্ণ, শ্রেণি, পেশা ও বয়সের মানুষের মাঝে নতুন প্রাণের সঞ্চার ঘটায়। নববর্ষের প্রেরণায় বাঙালির মাঝে উদার মানবিক মূল্যবোধ ও অসাম্প্রদায়িক চেতনা নতুনভাবে জাগ্রত হয়, মানুষে মানুষে গড়ে ওঠে সাম্য, সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি।তিনি আরও বলেন, ‘অতীতের সকল গ্লানি, দুঃখ, জরা মুছে অসুন্দর ও অশুভকে পেছনে ফেলে নতুন কেতন উড়িয়ে বাংলা নববর্ষ-১৪৩১ সবার জীবনে আরও সমৃদ্ধি বয়ে আনবে। চতুর্থ শিল্পবিপ্লব প্রসূত সুযোগের সদ্ব্যবহার করে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিসহ সব ক্ষেত্রে নতুন নতুন উদ্ভাবনের মাধ্যমে দেশ নব উদ্যোমে আরও এগিয়ে যাবে এবং ১৪৩১ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জণে সফল হবে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, ব্যবসা-বাণিজ্য, অর্থনীতিসহ সর্বক্ষেত্রে অভূতপূর্ব অগ্রগতি ও সাফল্য অর্জণ করে বিশ্ববাসীর কাছে উন্নয়নের রোল মডেলে পরিণত হয়েছে। সাফল্য, উন্নয়ন ও অগ্রগতির এই ধারা নতুন বছরেও অব্যাহত থাকবে বলে এই যুবলীগ নেতা আশাবাদ ব্যক্ত করেন’।
কিউএনবি/অনিমা/১৩ এপ্রিল ২০২৪/সকাল ১০:৩২