আন্তর্জাতিক ডেস্ক : বুধবার (২০ মার্চ) এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। খবর সিএনএ’র। জাতিসংঘের বিশেষ দূত টম অ্যান্ড্রুজ বলেছেন, জান্তা বাহিনীর মধ্যে ব্যাপক হতাহতের ঘটনা, দলত্যাগ, আত্মসমর্পণ এবং নিয়োগের চ্যালেঞ্জগুলোর মধ্য দিয়ে সেনা সংখ্যা হ্রাস পাচ্ছে। বিষয়টি মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর জন্য অস্তিত্বের হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
তিনি বলেন, ‘যারা মিয়ানমারে শৃঙ্খলা ও স্থিতিশীলতা পুনরুদ্ধারের জন্য জান্তার সঙ্গে বাজি ধরেছে, তারা হেরে যাওয়ার বাজি ধরেছেন।’অ্যান্ড্রুজ আরও বলেন, জান্তা দেশের সহিংসতা, অস্থিতিশীলতা, অর্থনৈতিক অবনতি এবং অনাচারের প্রধান কারণ। আর্থিক প্রবাহের ওপর বিধিনিষেধ এবং সামরিক ব্যবহারের জন্য সরঞ্জাম বিক্রি বন্ধ জান্তার অভিযানকে ব্যাহত করছে।
এ সময় তিনি সিঙ্গাপুরের কথা উল্লেখ করে বলেন, দেশটি মিয়ানমারের সামরিক জান্তার কাছে সামরিক ব্যবহারের জন্য সরঞ্জাম বিক্রি কমিয়ে দিয়েছে। ফলে গত বছর মিয়ানমারে তাদের সরবরাহ দেয়া অস্ত্রের পরিমাণ শতকরা ৮৩ ভাগ কমেছে। তবে রাশিয়া ও চীনের ক্ষেত্রে এমনটা ঘটেনি। তারা মিয়ানমারের সামরিক জান্তার কাছে অস্ত্র সরবরাহে যথাক্রমে প্রথম এবং দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে।
জাতিসংঘের এই বিশেষ দূত আরও বলেন, জান্তাকে আর্থিকভাবে দমিয়ে রাখতে আরও কিছু করা যেতে পারে। তবে যেভাবে নিষেধাজ্ঞাগুলো প্রয়োগ করা হচ্ছে, তার মৌলিক পরিবর্তন আনা দরকার। আমাদের সমন্বিত ও ফোকাসড উপায়ে এসব নিষেধাজ্ঞা প্রয়োগ করতে হবে।
২০২১ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে মিয়ানমারের ক্ষমতায় আসে সামরিক জান্তা। এরপর থেকে দেশটির আঞ্চলিক ও বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনগুলো জান্তার ওপর হামলা শুরু করে। সম্প্রতি কয়েকটি অঞ্চলে বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে সমঝোতায় যেতে বাধ্য হয়েছে সামরিক বাহিনী।
কিউএনবি/আয়শা/২২ মার্চ ২০২৪,/দুপুর ১২:৫৪