আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ইইউ নেতাদের শীর্ষ সম্মেলনে সংস্থাটির পররাষ্ট্র-বিষয়ক প্রধান জোসেপ বোরেল এ ধরনের একটি প্রস্তাব উত্থাপন করতে চান বলে জানা গেছে।দুই বছরের বেশি সময় ধরে চলছে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ। দীর্ঘ সময় ধরে চলা সংঘাতে বিপুল ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে দু’দেশেরই।
ইউক্রেনের তিন লাখেরও বেশি সেনাসদস্যসহ হতাহত হয়েছেন লাখো বেসামরিক নাগরিক। সংঘাতের প্রথম বছরই ব্যাপক ধস নামে ইউক্রেনের অর্থনীতিতে। তবে চাপ সামলে প্রথম থেকেই কূটনৈতিক কৌশল, সামরিক ও আর্থিক সহযোগিতায় ইউক্রেনকে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে রেখেছে পশ্চিমারা। আর বিশ্ব থেকে একঘরে করে রাখতে রাশিয়াকে পাল্লা দিয়ে নিষেধাজ্ঞা দিয়ে আসছে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ পশ্চিমা দেশগুলো।
তবে, গাজায় ইসরাইলি আগ্রাসন শুরুর পর থেকে ধস নামে সাহায্যে। এর মধ্যে রুশ বাহিনীও হামলা জোরদার করে। এমন পরিস্থিতিতে বেশ কয়েকদিন ধরেই রাশিয়ার জব্দ করা সম্পদের নিয়ন্ত্রণ ইউক্রেনকে দিতে পশ্চিমাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে কিয়েভ। এই অর্থ দেশের পুনর্গঠন এবং অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে ব্যবহার করতে পারবে বলেও জানায় জেলেনস্কি প্রশাসন।
এবার সেই আহ্বানে সাড়া দিয়ে রাশিয়াকে ধ্বংসের জন্য তাদের সম্পদ ব্যবহারের পরিকল্পনা করছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। বিভিন্ন দেশে জব্দ করা রুশ সম্পদ ব্যবহার করে ইউক্রেনের জন্য অস্ত্র কেনার প্রস্তাব দেয়ার পরিকল্পনা করছে সংস্থাটি। এরইমধ্যে ইইউ নেতাদের শীর্ষ সম্মেলনে সংস্থাটির পররাষ্ট্র বিষয়ক প্রধান জোসেপ বোরেল এ ধরনের একটি প্রস্তাব উত্থাপন করবেন বলেও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের বরাতে জানা যায়।
পশ্চিমে আটক থাকা সব রুশ সম্পদের প্রায় ৭০ শতাংশই ব্যাংক সিকিউরিটিজ বা নগদ হিসেবে সংরক্ষিত রয়েছে বেলজিয়ামের কেন্দ্রীয় সিকিউরিটিজ ডিপোজিটরি ইউরোক্লিয়ারে। এর মূল্য প্রায় ১৯০ বিলিয়ন ইউরো। যদিও এ বিষয়ে এখনো কোনো মন্তব্য করেনি মস্কো।
তবে, এমন প্রস্তাব পাস হলে পশ্চিমাদের সঙ্গে রাশিয়ার সম্পর্ক আরও তিক্ত হবে বলেই আশঙ্কা বিশ্লেষকদের। কারণ, বিষয়টির জেরে এরইমধ্যে ইউক্রেনজুড়ে হামলাও জোরদার করেছে রুশ সেনারা।
কিউএনবি/আয়শা/২২ মার্চ ২০২৪,/দুপুর ১২:২৪