বিনোদন ডেস্ক : বিজ্ঞাপনচিত্রে জনপ্রিয়তা পাওয়ার পাশাপাশি অভিনয় গুণ দিয়েও সুনাম ছড়িয়ে ছিলেন চৈতী। নব্বই দশকে বার্জার রঙের বিজ্ঞাপনে ‘শোবার ঘরটা নীল হোক, আকাশের মত’, ‘মনের মাধুরী মেশানো রং’ সংলাপ কিংবা জুঁই নারিকেল তেলের জিঙ্গেল ‘হারানো সেই দিন, মনে ভাসে আজও, এখনো সজীব যেন হয়নি বিলীন’—এসবের মাধ্যমে জনপ্রিয়তার শীর্ষে ছিলেন চৈতী।
জনপ্রিয়তার রেশ ধরে আফজাল হোসেন পরিচালিত ‘ছবির মতো মেয়ে’ টেলিফিল্মে অভিনয় করেছিলেন তিনি। তবে সেটাই ছিল তার অভিনয় জীবনের শেষ কাজ। এরপর আর তাকে পর্দায় দেখা যায়নি।
হঠাৎ কেন আড়ালে চলে যান সে বিষয়ে সম্প্রতি মুখ খুলেছেন চৈতী। সাক্ষাৎকারে নানা আলাপচারিতায় উঠে আসে সে গল্প। অভিনেত্রী জানান, ‘ছবির মতো মেয়ে’ টেলিফিল্মের শুটিং করার সময় তার বাবা ফয়েজ উদ্দিন আহমেদকে হারান। যে কারণে আর মিডিয়ায় তেমনভাবে কাজ করার তাগিদ পাননি তিনি।
চৈতী বলেন, আমার খালাতো বোন তারকা মডেল সাদিয়া ইসলাম মৌ। তার মা, আমার খালা প্রয়াত রাশা ইসলামের সঙ্গেই প্রথম কাজ করেছিলাম মিডিয়ায়। ৯ মাসের শিশু ছিলাম। বিজ্ঞাপনে একটি শিশুর প্রয়োজন ছিল। খালা আমাকে নেয়ার কথা বলেন।
চৈতী আরও বলেন, এরপর অনেকটা সময় পেরিয়ে যায়। আমি বড় হওয়ার পর ভারতের প্রখ্যাত নির্মাতা রাজীব মেননের পরিচালনায় ‘রেক্সোনা’র বিজ্ঞাপনচিত্রে মডেল হই। রাজীব মেনন তখন বিখ্যাত নির্মাতা। কাজল, প্রভু দেবা, ঐশ্বরিয়া রায়, টাবুর মতো শিল্পীদের সঙ্গে তিনি কাজ করেন।
ক্যারিয়ারে এত সাফল্য আর সুযোগ থাকার পরও নিয়মিত কাজ করার ইচ্ছা হয়নি চৈতীর। জানান, শিক্ষকতা পেশাতেই ভালো রয়েছেন। তবে মনের মতো চরিত্র আর সময় সুযোগ হলে শিক্ষকতার পাশাপাশি অভিনয়ও করার ইচ্ছা রয়েছে এ সেলিব্রেটির।
কিউএনবি/আয়শা/১৯ মার্চ ২০২৪,/সন্ধ্যা ৭:৪৪