আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমসহ বিভিন্ন সূত্রের তথ্য বলছে, জিম্মি করার পর শুরুতে জলদস্যুরা জাহাজে থাকা সব নথি ঘেঁটে মালিকের তথ্য সংগ্রহ করে। এরপর ‘বিশ্বস্ত’ একজন মধ্যস্থতাকারী মালিকের সঙ্গে যোগাযোগ করে এবং পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করে।
জাহাজ ছিনতাই, নাবিক-ক্রুদের জিম্মি করা থেকে শুরু করে মুক্তিপণ আদায়; বিপজ্জনক এ ধরনের কাজ জলদস্যুরা করলেও মুক্তিপণের ভাগ তারাই সবচেয়ে কম পায়। কারণ, শুরুতেই ‘বিনিয়োগকারীরা’ ভাগের বড় অংশটি কেটে রাখে। এক্ষেত্রে পিছিয়ে নেই বিমা কোম্পানিগুলোও। বলা হয়, জলদস্যুরা বছরে যে পরিমাণ আয় করে, তার ১০ গুণ বেশি অর্থ পকেটে ভরে এসব কোম্পানি।
মধ্যস্থতাকারী চুক্তির শর্ত ভঙ্গ করলে পরিস্থিতি সামাল দিতে জাহাজ পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান আইনজীবীদের সঙ্গেও যোগাযোগ করে। জানা যায়, আইনজীবীরা প্রায় তিন লাখ ডলার ফি নেন। আর মুক্তিপণের অর্থ পৌঁছে দেয়ার কাজে নিয়োজিত প্রতিষ্ঠান নেয় প্রায় এক লাখ ডলার। পাশাপাশি জাহাজের খরচ হিসেবে আরও ১০ লাখ ডলার দেয়া হয়।
মুক্তিপণের অর্থ আসল, নাকি নকল, সেটা যাচাই করার পরই জলদস্যুরা জিম্মি করা জাহাজ এবং নাবিক ও ক্রুদের মুক্তি দেয়।পণ্যবাহী জাহাজটি কয়লা নিয়ে ভারত মহাসাগর হয়ে মোজাম্বিক থেকে আরব আমিরাতের আল-হামরিয়া বন্দরের দিকে যাচ্ছিল। গন্তব্য ছিল দুবাই। তবে ঝুঁকিপূর্ণ সমুদ্রপথে নিরাপত্তা নিশ্চিতে অস্ত্রধারী নিরাপত্তারক্ষীসহ চলাচলের আন্তর্জাতিক নিয়ম থাকলেও, এই জাহাজে তা মানা হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে।
কিউএনবি/আয়শা/১৪ মার্চ ২০২৪,/সন্ধ্যা ৭:৪৮