ডেস্ক নিউজ : বুধবার (১২ মার্চ) সচিবালয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এই চুক্তি সই হয়। বাংলাদেশের পক্ষে অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী এবং নেদারলান্ডসের পক্ষে সে দেশের মিনিস্ট্রি ফর ট্যাক্স অ্যাফেয়ার্স অ্যান্ড দ্যা ট্যাক্স অ্যাডমিনিস্ট্রেশন এমএলএ ভ্যান রিজ এই চুক্তিতে সই করেন।
দুই দেশের মধ্যে দ্বৈতকর আরোপ পরিহার ও রাজস্ব ফাঁকি রোধ সংক্রান্ত চুক্তি প্রায় ৩০ বছর আগে ১৯৯৩ সালের ১৩ জুলাই স্বাক্ষরিত হয়। এরইমধ্যে দ্বৈত কর প্রত্যাহার ও রাজস্ব ফাঁকি রোধ সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক রীতিনীতি যেমন ওইসিডি মডেল কিংবা ইউএন মডেলেও নানাবিধ পরিবর্তন এসেছে।
অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও নেদারল্যান্ডসের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ অংশীদারিত্বমূলক সম্পর্ক অত্যন্ত উন্নত। বাংলাদেশ নেদারল্যান্ডসের ১৫টি সহযোগী দেশের মধ্যে অন্যতম। নেদারল্যান্ডস ২০২২-২৩ অর্থবছরে বাংলাদেশের নবম রফতানিকারক বৃহত্তর অংশীদারি দেশ যার রফতানি মূল্য ২ হাজার মিলিয়ন ইউএস ডলারের বেশি।
তিনি জানান, বাংলাদেশ থেকে নেদারল্যান্ডসে রফতানি করা পণ্যের মধ্যে রয়েছে নিটওয়্যার, ওভেন, গার্মেন্টস, গলদা চিংড়ি, জুতা, বস্ত্র, চামড়াজাত পণ্য, বাইসাইকেল ইত্যাদি। অপরদিকে বাংলাদেশ ২০২২-২৩ অর্থবছরে নেদারল্যান্ডস থেকে ৩০০ মিলিয়নের বেশি পণ্য আমদানি করেছে। যার মধ্যে রয়েছে ক্যাপিটাল মেশিনারি, শাক-সবজি, তৈরি খাদ্য উপাদান, জীবিত প্রাণী (পশু ও পাখি), খনিজ দ্রব্যাদি, কেমিক্যালস, ঔষধ সামগ্রী, অর্গানিক কেমিক্যালস, প্লাস্টিক, রাবার ইত্যাদি।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে সরাসরি বৈদেশিক বিনিয়োগের (এফডিআই) ক্ষেত্রে নেদারল্যান্ডসের স্থান চতুর্থ। ২০১৯-২০ অর্থবছরে নেদারল্যান্ডস বাংলাদেশে ২৫৬০ মিলিয়ন ইউএস ডলারের অধিক বিনিয়োগ করেছে। জ্বালানি, বাণিজ্য, চামড়া খাত, চামড়াজাত পণ্য-সামগ্রী, সিমেন্ট ইত্যাদি ক্ষেত্রে নেদারল্যান্ডসের বিনিয়োগ ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে।
চুক্তি স্বাক্ষরের সময় উপস্থিত ছিলেন অর্থ প্রতিমন্ত্রী ওয়াসিকা আয়শা খান, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম, অর্থ সচিব ড. মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার প্রমুখ।
কিউএনবি/আয়শা/১২ মার্চ ২০২৪,/সন্ধ্যা ৭:৫৫