শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ১২:২২ পূর্বাহ্ন

রাষ্ট্রপতি শাসন হলে হোক, ওরা আমাকে বরখাস্ত করুক: মমতা

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬
  • ৫৭ Time View

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : মমতা বন্দোপাধ্যায় এই প্রসঙ্গে বলেছেন, ‘আমি গিয়ে পদত্যাগ করব না। রাষ্ট্রপতি শাসন হলে হোক। রেকর্ড থাকুক। ওরা আমাকে বরখাস্ত করুক। আমি চাই, সেই দিনটি হোক একটি কালো দিন।’ খবর নিউজ১৮-এর। তাকে এবং ফিরহাদ হাকিমকে হেনস্থার অভিযোগও করেন মমতা। বলেন, ‘আমাকে মেরেছে, ববিকে মেরেছে। আমাদের এখানে হারানো হলেও দিল্লি আমাদের পরবর্তী লক্ষ্য। ইন্ডিয়া (INDIA) জোট একসঙ্গে লড়াই করব।’

তিনি আরও বলেন, আমি মানুষকে বিশ্বাস করি, জ্ঞানেশ কুমার হলেন আসল ভিলেন। এই পরিস্থিতিতে সরাসরি যুক্ত আছেন প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। আমার আজ হাসি পাচ্ছে। নৈতিকভাবে আমি ওদের হারিয়ে দিয়েছি। তবে ক্ষমতা চলে গেলে মামলা দেখবেন, আইনজীবী হিসেবে আদালতে প্র্যাকটিস করবেন বলেও জানান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
 
তিনি বলেন, ‘আমি, চন্দ্রিমা আবার আদালতে প্র্যাকটিস করব। নানা কেস যা হচ্ছে আমি, চন্দ্রিমা, বিপ্লব মিত্র, বিমান ব্যানার্জি সবাই আইনজীবী হিসেবে মামলা দেখব। এদিতে, মমতা আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগ করবেন না বলে ঘোষণা দেয়ায় পশ্চিমবঙ্গে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হতে পারে বলেও জানা গেছে।
 
ভারতীয় বিভিন্ন গণমাধ্যম বলছে, বিজেপি নেতারা ঠিক করেছেন, আগামী ৯ মে, শনিবার রবীন্দ্র জন্মজয়ন্তীর দিন তাদের মন্ত্রীরা শপথ নেবেন। শেষ পর্যন্ত তৃণমূলনেত্রী তার অবস্থানে অনড় থাকলে শুক্রবার (৮ মে) মাঝের ২৪ ঘণ্টা ব্যতিক্রমীভাবে পশ্চিমবঙ্গে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হবে— এমনটাই মত প্রবীণ আইনজ্ঞদের।
 
সাংবিধানিক রীতি অনুযায়ী, ভোটের ফলাফল ঘোষণার সময়ে শাসকদল তাদের পরাজয় নিশ্চিত জানতে পারার সঙ্গে সঙ্গেই মুখ্যমন্ত্রী রাজভবনে গিয়ে পদত্যাগ করেন। সংসদীয় রাজনীতিতে এটা একটা সাংবিধানিক সৌজন্যের প্রকাশ। রাজ্যপাল তখন নতুন সরকার দায়িত্ব না নেয়া পর্যন্ত বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রীকে কেয়ারটেকার সরকারের দায়িত্ব পালন করার অনুরোধ জানান। নতুন মুখ্যমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভা শপথ নেয়ার আগে তিনিই কাজ চালান।
 
কিন্তু কেয়ারটেকার মুখ্যমন্ত্রী কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারেন না। কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষেত্রেও একই রীতি প্রচলিত। তামিলনাড়ুতে ডিএমকে সরকারের মেয়াদ ফুরিয়েছে গেল বুধবারই। সেখানেও নতুন সরকার এখনও শপথ নেয়নি। তবে পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে তামিলনাড়ুর ফারাক আছে। কারণ, পরাজয়ের পরে এম কে স্ট্যালিন এবং তার সরকার পদত্যাগ করেছে। রাজ্যপাল স্ট্যালিনকেই কেয়ারটেকার সরকারের দায়িত্ব দিয়েছেন। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গে সেটি হয়নি।
 
সংবিধান অনুযায়ী, রাজ্যপালের ‘সদিচ্ছায়’ একটা রাজ্য সরকার গঠিত হয়। আইন মেনে বৃহস্পতিবার, ৭ মে রাত ১২টা ১ মিনিটে বর্তমান সরকারের মেয়াদ শেষ হয়ে যাবে। সংবিধানের ১৭২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, এর পরে এক মিনিটও বিদায়ী সরকার থাকতে পারে না। ফলে তখন থেকে রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হবে। 

কিউএনবি/আয়শা/০৭ মে ২০২৬,/দুপুর ১২:৫০

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

May 2026
M T W T F S S
 1234
567891011
12131415161718
19202122232425
2627282930  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit