ডেস্ক নিউজ : বৃহস্পতিবার (১ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে মন্ত্রণালয় সভাকক্ষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এমন মন্তব্য করেন। দ্রুত বিচার আইনকে সোমবারের মন্ত্রিসভার বৈঠকে স্থায়ী করা হচ্ছে। ২০০২ সালে বিএনপি সরকার যখন আইনটি করে, তখন আওয়ামী লীগ বিরোধী দলে ছিল, তারা আইনটি নিয়ে তুখোড় সমালোচনা করেছে। অভিযোগ ছিল, বিরোধীদের দমন করতেই এটি করা হয়েছে।
কিন্তু এখন আইনটি স্থায়ী করা হবে, সেটি নিয়ে কী বলবেন, এমন প্রশ্নে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘২০০২ সালে আইনটি করার পর, আপনারা যদি দেখে থাকেন, সাতক্ষীরা ও বাংলাদেশের অন্যান্য জায়গায় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও সংখ্যালঘুদের প্রতি অত্যাচার চালানো হয়েছে, যদি আওয়ামী লীগ সেই সময় এ আইনটির বিরোধিতা করে থাকে, আমার মনে হয় না সেটা খুব অন্যায় বা অযৌক্তিক হয়েছে।’কিন্তু ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা এবং তারপর সন্ত্রাসবাদ, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও অগ্নিসন্ত্রাসের ঘটনা দেখলে পরে দেখা যাবে এমন একটি আইনের প্রয়োজন। যেটা অপপ্রয়োজন, সেটা হচ্ছে, এটার অপব্যবহার। আপনারা যদি সেটা দেখে থাকেন, আওয়ামী লীগ সরকার এ আইনের অপব্যবহার করেনি।
এর আগে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ব্যক্তিস্বার্থে বিশ্বজুড়ে ষড়যন্ত্র চলছে বলে অভিযোগ করেন আইনমন্ত্রী। এ সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘সেটাকে মোকাবিলা করার জন্যই তো আমরা সংবাদ সম্মেলন করছি। আমরা জনসমক্ষে প্রচারমাধ্যম দিয়ে সত্য তুলে ধরব। বাংলাদেশ একটি স্বাধীন-সার্বভৌম দেশ। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে ৩০ লাখ শহীদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ। আমরা কারও অঙ্গুলিহেলনে চলি না, আমাদের দেশে আইন আছে, সে আইনে দেশ চালাই।’
কিউএনবি/আয়শা/০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪,/বিকাল ৩:৩৮