শার্শা(যশোর)সংবাদদাতা : যশোরের শার্শায় কু প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় লম্পট জামাইয়ের বিরুদ্ধে শ্বাশুড়িকে শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে গত রবিবার শার্শার শ্রিকোনা গ্রামে। ঘটনার পর স্বজনেরা উদ্ধার করে মূমুর্ষ অবস্থায় শ্বাশুড়ি মোমেনা খাতুন (৪৫)কে শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। তার অবস্থা এখন আশংকা জনক। মোমেনা খাতুন শার্শার শ্রিকোনা গ্রামের মালয়েশিয়া প্রবাসী মোঃ শাহাজান আলীর স্ত্রী। শাহাজান আলী দীর্ঘ ১২ বছর ধরে প্রবাশে থাকেন।
শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন মোমেনা খাতুন জানান, তার মেয়ের জামাই শার্শার নারিকেল বাড়িয়া গ্রামের মুছা করিম(২৫) দীর্ঘদিন ধরে তাকে কু প্রস্তাব দিয়ে আসছে। তার প্রতিবাদ করে গত ৫/৬ মাস আগে সন্মান বাঁচাতে মোমেনা খাতুন জামাইয়ের উপর রাগ করে বিষ পান করে আত্মহত্যা করতে চেয়েছি শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে । সে যাত্রায় জীবনে বেঁচে যাওয়ার পর লম্পট জামাই আবারো তার শাশুড়িকে কু প্রস্তাব দিতে থাকে। কু প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় লম্পট জামাই মুছা করিম একটি ভুয়া তালাকনামা তৈরী করে তার শ্বশুরের কাছে পাঠায়। সেই সুযোগে হত ২৭ আগষ্ট রবিবার দুপুরে ষড়যন্ত্র করে শ্বাশুড়ি মোমেনা খাতুনকে তার বাড়িতে ফেলে বেদম ভাবে মারপিট করে।
এ পর্যায় শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা কওে বলে ভুক্তভোগি মোমেনা খাতুন জানান। মোমেনা খাতুন আরও জানান, মোটা অংকের টাকার প্রলোভন পেয়ে তার জামাইকে সহযোগিতা করেন তার ছেলে ইব্রাহীম হোসেন(২৫) ইব্রাহীমের স্ত্রী খাদিজা খাতুন(২০) ও বড় ভাশুর আব্দুর রাজ্জাকের স্ত্রী ফিরোজা খাতুন(৫০)। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে মোমেনা খাতুনের ছেলে ইব্রাহীম হোসেন জানান তার মাকে মার পিটের ঘটনার সাথে সে জড়িত না।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত জামাই মুছা করিম বলেন তার বিরুদ্ধে অভিযোগের ব্যাপারে সে কিছুই জানেন না। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে শার্শা থানার অফিসার ইনচার্জ এস এম আকিকুল ইসলাম জানান, ঘটনাটি দূঃখ জনক। তবে এ ব্যাপারে অভিযোগ পেলে তা তদন্ত করে অপরাধীর বিরুদ্ধে আইন গত ব্যবস্থা নেওয়া হবে ।
কিউএনবি/আয়শা/২৮ অগাস্ট ২০২৩,/সন্ধ্যা ৭:৪০