রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৫২ অপরাহ্ন
শিরোনাম
বাংলাদেশের ঐতিহাসিক টেস্ট জয়ে জিএম কাদেরের অভিনন্দন ইসরাইলকে ‘উপযুক্ত জবাব’ দেওয়ার হুঁশিয়ারি হিজবুল্লাহর দিনাজপুর প্রেসক্লাবের ঐতিহ্য রক্ষায় দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার আহ্বান॥-এমপি জাহাঙ্গীর লালমনিরহাটে শিঘ্রই নির্মিত হচ্ছে ১৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে আধুনিক মাদক নিরাময় কেন্দ্র ও হাসপাতাল—–ত্রাণমন্ত্রী দুলু নারীদের অনার্স পর্যন্ত শিক্ষা ফ্রি করে দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার বিষয়ে সংসদে উপস্থাপন করা হয়েছে–এমপি বাবু বাংলাদেশ দলকে প্রধানমন্ত্রীর ফোনকল, কী কথা হলো? ৭ জেলায় ঝোড়ো হাওয়া ও বজ্রসহ বৃষ্টির আশঙ্কা বালা-মুসিবত দূর করার আমল ইনিংস হারের শঙ্কা এড়িয়ে লিড নিল অস্ট্রেলিয়া

কোরবানির পরেও উত্তাপ কমেনি মসলার বাজারে

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ২১ জুলাই, ২০২৩
  • ১০৫ Time View

ডেস্ক নিউজ : শুক্রবার (২১ জুলাই) কেরানীগঞ্জের জিনজিরা ও আগানগর, পুরান ঢাকার শ্যামবাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে। গত রোজার ঈদের পর থেকেই ঊর্ধ্বমুখী মসলার বাজার। কোরবানির ঈদে সেই ঝাঁজ আরও বেড়েছে। দাম বেড়ে জিরার কেজি দাঁড়িয়েছিল ১ হাজার টাকায়।

তবে কোরবানির পরেও বাজারে কমেনি জিরার দাম। বর্তমানে খুচরা পর্যায়ে প্রতিকেজি জিরা বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ২০০ টাকায়। আর পাইকারি পর্যায়ে জিরা বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ১০০ টাকা পর্যন্ত। বিক্রেতারা বলছেন, বাজারে জিরার সরবরাহ কম। পাশাপাশি ভারত থেকেও হচ্ছে না পর্যাপ্ত আমদানি। এতে ঊর্ধ্বমুখী জিরার দাম। মোখলেসুর রহমান নামে এক বিক্রেতা বলেন, জিরার বাজার লাগামহীন। পাইকারিতেই কিনতে হচ্ছে ১ হাজার ১০০ টাকায়। তাই লাভ করতে হলে অন্তত ১ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি করা ছাড়া উপায় নেই।

ফাহাদ হোসেন নামে আরেক বিক্রেতা বলেন, বাজারে পর্যাপ্ত জিরা আসছে না। কোরবানির ঈদ চলে গেলেও এখনও চাহিদা কমেনি। এতে দাম ঊর্ধ্বমুখী। আর ক্রেতারা বলছেন, জিরার দাম আকাশছোঁয়া। এভাবে লাগামহীনভাবে দাম বাড়তে থাকলে জিরার দাম নাগালের বাইরে চলে যাবে। তাই দ্রুত সরকারকে পদক্ষেপ নিতে হবে। এদিকে বাজারে ঊর্ধ্বমুখী অন্যান্য মসলার দামও। বেড়েছে লবঙ্গ, তেজপাতা, কাঠবাদাম ও শুকনা মরিচের দাম। কেরানীগঞ্জের কালীগঞ্জ বাজারের ব্যবসায়ী মাসুদ রানা জানান,

বাজারে প্রতিকেজি শুকনা মরিচ ৫০০ থেকে ৫২০ টাকা, তেজপাতা ১২০ থেকে ১৩০ টাকা, লবঙ্গ ১ হাজার ৮০০ থেকে ১ হাজার ৮৫০ টাকা ও কাঠবাদাম বিক্রি হচ্ছে ৮৫০ টাকায়। তবে গত কোরবানির ঈদে প্রতিকেজি শুকনা মরিচ ৩৮০ থেকে ৪৫০ টাকা, তেজপাতা ১০০ থেকে ১২০ টাকা, লবঙ্গ ১ হাজার ৬০০ থেকে ১ হাজার ৮০০ ও কাঠবাদাম বিক্রি হয়েছিল ৮০০ টাকায়। শুকনা মরিচের দাম নিয়ে বিক্রেতাদের দাবি, মানভেদে শুকনা মরিচের দাম নির্ধারণ করা হয়। এ ছাড়া আমদানি কম থাকার কারণেও দাম বাড়ছে।

কেরানীগঞ্জের আগানগর বাজারের খুচরা বিক্রেতা রাইসুল বলেন, বাজারে শুকনা মরিচের সরবরাহ কম। তাই দাম বাড়ছে। পুরান ঢাকার শ্যামবাজারের খুচরা বিক্রেতারা জানান, বাজারে প্রতিকেজি শুকনা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ৪৮০ থেকে ৫২০ টাকা পর্যন্ত। মূলত পাইকারি পর্যায়ে দাম বাড়ার কারণে খুচরা পর্যায়েও দাম বাড়ছে। আর পুরান ঢাকার শ্যামবাজারের শিলা টেডার্সের মালিক মো. আলামিন পাটোয়ারী বলেন,মানভেদে শুকনা মরিচের দাম ভিন্ন হয়। পাইকারি পর্যায়ে মানভেদে প্রতিকেজি শুকনা মরিচ ৩৩০ থেকে ৪৪০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে।

পুরান ঢাকার শ্যামবাজারের অজয় টেডার্সের মো. রতন বলেন,পাইকারি থেকে খুচরা পর্যায়ে গেলে প্রতিটি পণ্যের দামই বাড়ে। শ্রমিক ও পরিবহন খরচসহ অন্যান্য আনুষঙ্গিক খরচের জন্য দাম বাড়ে। এ ছাড়া বাজারে শুকনা মরিচের কিছুটা সরবরাহ ঘাটতিও রয়েছে। তাই দাম ঊর্ধ্বমুখী। তবে বাজারে দাম কমেছে দারুচিনি, এলাচ, গোলমরিচ, ধনিয়া ও আলুবোখারার। কেরানীগঞ্জের কালীগঞ্জ বাজারের ব্যবসায়ী মাসুদ রানা বলেন, বাজারে প্রতিকেজি দারুচিনি ৪২০ থেকে ৪৫০ টাকা, এলাচ প্রকারভেদে ১ হাজার ৬০০ থেকে ২ হাজার ২০০ টাকা, গোলমরিচ ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা, আলুবোখারা ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা, কাজুবাদাম ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৩০০ টাকা ও ধনিয়া ১৯০ থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

 

কিউএনবি/আয়শা/২১ জুলাই ২০২৩,/বিকাল ৫:৩০

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

August 2026
M T W T F S S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit