ডেস্কনিউজঃ প্রচন্ড বই পড়ুয়া মানুষ বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব, এডঃ রুহুল কবির রিজভী। শত ব্যস্ততার মাঝেও তিনি বই পড়েন। নয়াপল্টন বিএনপি অফিসে তাঁর ছোট্ট রুমটির অর্ধেকই বই দিয়ে ঠাসা। রিজভী’র বাসায় আরেকটি স্টাডি রুম আছে। সেটিও বই দিয়ে পরিপূর্ন। এছাড়াও তিনি নিজেও একজন সুলেখক। কয়েকটি গ্রন্থ আছে তাঁর।
রিজভী আহমেদ এর সাড়া জাগানো তিনটি গ্রন্থ ‘সময়ের স্বরলিপি’, ‘অবরুদ্ধ দিনলিপি’, ‘শিক্ষা ও রাজনীতি’ পাঠক মহলে ব্যাপকভাবে সমাদৃত। বিশেষ করে তিনি কারান্তরীণ হলেই কারাগারের অখন্ড অবসরকে কাজে লাগিয়ে বই পড়েন ও বই লিখেন। ”সময়ের স্বরলিপি’, ‘অবরুদ্ধ দিনলিপি” তাঁর কারান্তরীণ জীবনের কথা।
কুড়িগ্রামের লুৎফর রহমান ‘৮০ এর দশকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ও স্বৈরাচার বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের একজন সম্মুখ যোদ্ধা ছিলেন। তিনি ‘নাহিদ-রুমকীর ক্যাম্পাস উপাখ্যান’ ও ‘ব্যাংককের ভালোবাসা’ নামে এবারের ২০২৩ বইমেলায় ‘৮০র দশকের রাজনীতির ইতিহাস নির্ভর দুটি বই প্রকাশ করেন। বই দুটি এখন রকমারি.কম এ বেস্ট সেলারের স্বীকৃতি লাভ করেছে।
গত ১লা মার্চ ২০২৩ এ বিএনপির মহাসচিব গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে বই দুটি সংগ্রহ পূর্বক সকল পাঠকদের তিনি আহবান জানিয়েছিলেন যে, ‘নাহিদ-রুমকীর ক্যাম্পাস উপাখ্যান’ ও এর পরবর্তী পরিণতি ‘ব্যাংককের ভালোবাসা’ বই দুটি পড়ে সকলকে ‘‘৯০র গণ অভ্যুত্থানের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে বর্তমান স্বৈরাচারের পতন ঘটাতে হবে”।
বুধবার বিকালে লেখক সদ্য কারামুক্ত বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব এডঃ রুহুল কবির রিজভীকে বই দুটি বিএনপির নয়াপল্টন অফিসে প্রদান করলে তিনি বলেন ‘নাহিদ-রুমকীর ক্যাম্পাস উপাখ্যান” ও ‘ব্যাংককের ভালোবাসা’ আমি কারাগারেই পড়েছি। গণতন্ত্রকামী সকল পাঠকই এই বই দুটি পড়ে যেন ‘৯০র গণ অভ্যুত্থানের চেতনা ধারণ করে গণতন্ত্রের বাংলাদেশ বিনির্মানের আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়ে। নাহিদ-রুমকীর ক্যাম্পাস উপাখ্যান’ এক্ষেত্রে গৌরবগাঁথা এক চেতনাময় ইতিহাস’।
কিউএনবি/আয়েশা/০৩.০৫.২০২৩/ রাত ৯.৫০