শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০২:০২ অপরাহ্ন

ইউক্রেনের খেরসন থেকে সেনা প্রত্যাহারের নির্দেশ রাশিয়ার

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১০ নভেম্বর, ২০২২
  • ১০৫ Time View

ডেস্কনিউজঃ রাশিয়া তার বাহিনীকে ইউক্রেনের শহর খেরসন থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছে। ফেব্রুয়ারী মাসের শেষের দিকে ইউক্রেন আক্রমণ করার পর থেকে খেরসন ছিলো রাশিয়ান সেনাবাহিনী কর্তৃক দখলকৃত একমাত্র আঞ্চলিক রাজধানী। টেলিভিশনে মন্তব্যের সময়ে জেনারেল সের্গেই সুরোভিকিন, সামগ্রিক যুদ্ধ প্রসঙ্গে বলেছেন খেরসন শহরে সেনা সরবরাহ করা আর সম্ভব নয়। সুরোভিকিন বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি বিস্তৃতভাবে মূল্যায়ন করার পরে দিনিপ্রো নদীর বাম তীর বরাবর প্রতিরক্ষা গ্রহণের প্রস্তাব করা হয়েছে। তিনি একটি মানচিত্রে সেনার অবস্থান সম্পর্কে বলতে গিয়ে একথা জানান। সেইসঙ্গে জেনারেল সের্গেই জানান, ”আমি বুঝতে পারি যে এটি একটি খুব কঠিন সিদ্ধান্ত, কিন্তু একই সাথে আমরা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জিনিসটি সংরক্ষণ করব – আমাদের সৈন্যদের জীবন।”

রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রী সের্গেই শোইগুও এই সিদ্ধান্তে সহমত পোষণ করে বলেন, “আমি আপনার সিদ্ধান্ত এবং প্রস্তাবের সাথে একমত। সৈন্য প্রত্যাহারের সাথে এগিয়ে যান এবং নদীর ওপারে বাহিনী স্থানান্তরের জন্য সমস্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করুন’। খেরসনের রাশিয়ান-স্থাপিত ডেপুটি হেড কিরিল স্ট্রেমাসভ, বাসিন্দাদের এলাকাটি থেকে সরিয়ে নেয়ার আহ্বান জানানোর কয়েক সপ্তাহ পরে একটি গাড়ি দুর্ঘটনায় নিহত হন। তারপরেই এই ঘোষণা সামনে এলো।

“কথা এবং কাজ আলাদা”

যদিও এই পদক্ষেপটি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে রাশিয়ার সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য পশ্চাদপসরণকে চিহ্নিত করে, তবুও সিনিয়র ইউক্রেনীয় উপদেষ্টারা এই পদক্ষেপটি ভবিষ্যতের জন্য কী ইঙ্গিত দিতে পারে সে সম্পর্কে সতর্ক। ইউক্রেনের রাষ্ট্রপতির উপদেষ্টা, মাইখাইলো পোডোলিয়াক রয়টার্স বার্তা সংস্থাকে খেরসন থেকে রাশিয়ার পশ্চাদপসরণ সম্পর্কে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেছিলেন, “ইউক্রেন রাশিয়ান বিবৃতিতে মনোযোগ দেয় না, তাদের কথা এবং কাজের মধ্যে বিস্তর ফারাক আছে ।

যতক্ষণ না ইউক্রেনের পতাকা খেরসনের উপর উড়ছে, ততক্ষণ রাশিয়ান সেনা প্রত্যাহারের বিষয়ে কথা বলার কোনও মানে হয় না। ” তবে ঘোষণাটি রাশিয়ার প্রভাবশালী যুদ্ধ ব্লগারদের দ্বারা প্রত্যাশিত ছিল, যারা এটিকে একটি তিক্ত আঘাত হিসাবে বর্ণনা করেছেন।

ওয়ার গনজো ব্লগ যাদের টেলিগ্রামে ১.৩ মিলিয়নেরও বেশি ফলোয়ার রয়েছে তারা জানাচ্ছে, ” স্পষ্টতই আমরা খেরসন শহর ছেড়ে চলে যাব, বিষয়টি যতই বেদনাদায়ক হোক না কেন। সহজ কথায়, খেরসনকে খালি হাতে ধরে রাখা যায় না। হ্যাঁ, এটি রাশিয়ান সেনাবাহিনীর ইতিহাসে একটি কালো অধ্যায়।”

সূত্র : আলজাজিরা

কিউএনবি/বিপুল/১০.১১.২০২২/ দুপুর ১.৩৭

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

October 2026
M T W T F S S
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit