মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৩৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
বড় পতনের পর বিশ্ববাজারে ফের বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম মাটিরাঙ্গা জোনের উদ্যোগে  বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান। বিজয়ের বান্ধবী তৃষাকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য, গ্রেপ্তার বিরোধীদলীয় নেতা স্টালিন বিদ্বেষমূলক কথা ছাড়া শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে আইনি বাধা নেই: চিফ প্রসিকিউটর গ্রাহকের মুখোমুখি বসুন, বিল কেন বেশি আসছে সেই জবাব দিন: তাসনিম জারা ফাইনাল হারলেও এটাই আর্জেন্টিনার ইতিহাসে সেরা দল: ক্লদিও তাপিয়া ইসির বার্তায় সাড়া না দিলে বাতিল হবে প্রবাসীদের এনআইডি আবেদন মোটরসাইকেলের ধাক্কায় প্রাণ গেল বৃদ্ধের টেস্ট ছাড়ার আসল কারণ জানালেন স্টোকস সমঝোতার ভিত্তিতেই সংবিধানের সংস্কার করতে চায় সরকার : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীনের প্রয়াণ দিবস

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ২৮ মে, ২০২২
  • ১৪২ Time View

ডেস্ক নিউজ : বাংলাদেশে চারুকলা চর্চার পথিকৃত শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীনের ৪৭তম প্রয়াণ দিবস শনিবার (২৮ মে)। ১৯১৪ সালে ময়মনসিংহে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন প্রতিভাবান এই শিল্পীকে ইনস্টিটিউট অব আর্টস অ্যান্ড ক্র্যাফটস প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাংলাদেশে আধুনিক শিল্প আন্দোলনের পথিকৃৎ বলে ধরে নেয়া হয়। ১৯৪৮ সালে ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত এ প্রতিষ্ঠানের (বর্তমান চারুকলা ইনস্টিটিউট) তিনি ছিলেন প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ।

১৯৩৩ সালে কলকাতা সরকারি আর্ট স্কুলে ভর্তি হন এবং পাঁচ বছর সেখানে ব্রিটিশ বা ইউরোপীয় স্টাইলের ওপর পড়াশোনা করেন। ১৯৩৮ সালে তিনি আর্ট স্কুল অনুষদে যোগ দেন। ১৯৩৮ সালে সর্বভারতীয় চিত্রকলা প্রদর্শনীতে তার অঙ্কিত জলরঙের ছবির জন্য তিনি স্বর্ণপদক পান। ১৯৪৩ সালের দুর্ভিক্ষে জয়নুল আবেদিনের করা স্কেচগুলো ছিল অনবদ্য। এ দুর্ভিক্ষে হাজার হাজার মানুষ প্রাণ হারায়। সস্তা প্যাকিং পেপারে চায়নিজ ইঙ্ক ও তুলির আঁচড়ে ‘দুর্ভিক্ষের রেখাচিত্র’ নামে ছিল জয়নুলের এ ছবিগুলো। যা তাকে সারা ভারতে পরিচিত করে তোলে।

১৯৪৭ সালে উপমহাদেশের বিভক্তির পর জয়নুল আবেদিন তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের রাজধানী ঢাকায় বসবাস শুরু করেন। জয়নুল আবেদিন ও ঢাকা প্রত্যাগত তার কয়েকজন সহযোগী মিলে আর্ট ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৫১ সালে তিনি লন্ডনের স্লেড স্কুল অব আর্টে দুই বছরের প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। লন্ডন থেকে প্রত্যাবর্তনের পর জয়নুলের চিত্রে নতুন যে ধারাটি দেখতে পাওয়া যায়, তাকে বলা যায় ‘বাঙালি ধারা’। ‘দুই মহিলা’ (গোয়াশ, ১৯৫৩), ‘পাইন্যার মা’ (গোয়াশ, ১৯৫৩) ও ‘মহিলা’ (জলরং, ১৯৫৩) হলো এ আমলের উল্লেখযোগ্য চিত্রকর্ম। ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের বিজয়কে ভিত্তি করে আঁকা ‘নবান্ন’ এবং ১৯৭০ সালের প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড়ে প্রাণ হারানো হাজারো মানুষের স্মৃতির উদ্দেশ্যে আঁকা ‘মনপুরা’ তার বৈচিত্র্যময় কাজের উদাহরণ।

১৯৭৫ সালে জয়নুল আবেদিন সোনারগাঁয়ে একটি লোকশিল্প জাদুঘর এবং ময়মনসিংহে একটি গ্যালারি (শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন সংগ্রহশালা) প্রতিষ্ঠা করেন। এ দুটি প্রতিষ্ঠানে তার অঙ্কিত কিছু চিত্রকর্ম সংরক্ষিত আছে।

কিউএনবি/অনিমা/২৮.০৫.২০২২/সকাল ৯.৪০

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

August 2026
M T W T F S S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit