রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১১:২৫ পূর্বাহ্ন

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় যা বললেন মির্জা ফখরুল

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১৯ মে, ২০২২
  • ৯৮ Time View

ডেস্কনিউজঃ বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, পদ্মা সেতুর ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে আমি বিস্মিত হয়েছি। একটি দেশের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বে যে রয়েছেন, তিনি যেভাবেই ক্ষমতায় আসুক না কেন, এ ধরনের উক্তি বলতে পারেন না। বেগম খালেদা জিয়া একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেত্রী- এটি তাকে সরাসরি হত্যার হুমকির শামিল বলে ফখরুল মন্তব্য করেন।

বৃহস্পতিবার বিকালে ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপি কার্যালয়ে আয়োজিত শ্রমিক দলের মতবিনিময় সভার শুরুতেই তিনি সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরে এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, পদ্মা সেতু থেকে ফেলে দেওয়া, এটা কখনো একটা স্বাভাবিক ব্যাপার হতে পারে না। আমি বিস্মিত হয়েছি এবং ক্ষুব্ধ হয়েছি এবং প্রচণ্ড নিন্দা জানাই। আমরা এরকম অরাজনৈতিক, অশালীন বক্তব্য কেউ কখনো আশা করতে পারি না। তিনি রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে অশালীন ভাষায় কথা বলেন, আচরণ করেন। এটা রাজনৈতিক কোনো শিষ্টাচারের মধ্যে পড়ে না।

তিনি আরও বলেন, আমাদের দুর্ভাগ্য যে, এ ধরনের একটি নেতৃত্ব জাতি আজকে সহ্য করছে। তিনি ইদানীং যেসব কথাবার্তা বলে বেড়াচ্ছেন, এটা পুরোপুরিভাবে রাজনৈতিক শিষ্টাচারবহির্ভূত, স্বাধীনতা সবকিছুর বাহিরে, ভদ্রতার বাহিরে কথাবার্তা বলছেন। এই কথাটা বলার অর্থই হচ্ছে তিনি একটি হুমকি দেওয়ার মতো। এটা কল্পনাও করা যায় না। এটা আমরা যারা সুস্থ চিন্তাভাবনা করি তারা কখনো করতে পারে না। আমি এটির তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি, প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং এ ধরনের বক্তব্য করা থেকে বিরত থাকার জন্য আহবান জানাচ্ছি, অন্যথায় আইনের কোনো বিষয় থাকলে আমরা তা খতিয়ে দেখব।

বিদেশিদের নিয়ে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছেন- এমন প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, এটা তাদের পুরাতন স্বভাব, এটা উনারা সবসময় করে থাকেন। গত ২টা নির্বাচন তারা বাক্স লুট করে নিয়ে গেছে। সব সময় জনগণের ইচ্ছার বিরুদ্ধে করা হয়। জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন না ঘটিয়ে এটা তারা করেছিল। সবসময় আওয়ামী লীগ মানুষের ওপর দোষ চাপায়। বরং তারাই বিদেশিদের কাছে ধরনা দেয়। আমেরিকা গিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাহায্য চেয়েছেন।

তিনি বলেন, আমরা আগামী নির্বাচনের কোনো প্রস্তুতি নিচ্ছি না, তবে নির্বাচন কীভাবে হবে সেটা ভাবছি। আমাদের কথা খুব পরিষ্কার যে, এই সরকারকে পদত্যাগ করতে হবে। একটি নিরপেক্ষ ও নির্দলীয় সরকারের অধীনে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে। তারপর নতুনভাবে গঠিত নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে মানুষের ভোটাধিকার প্রয়োগ করার পরিবেশ করতে হবে। সরকারকে জনগণের দাবি মানতে বাধ্য করবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- জেলা বিএনপির সভাপতি তৈমুর রহমান, জেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক মামুন উর রশিদ, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার নূর করিম, শ্রমিক নেতা দানেশ আলী ও আব্দুল জব্বার, সাধারণ সম্পাদক মির্জা ফয়সাল আমিন, উপজেলা বিএনপি নেতা আব্দুল হামিদসহ দলীয় নেতাকর্মীরা।

কিউএনবি/বিপুল/ ১৯.০৫.২০২২ খ্রিস্টাব্দ/ রাত ৮.৫৪

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

May 2026
M T W T F S S
 1234
567891011
12131415161718
19202122232425
2627282930  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit