রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৩৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
জার্মানির গণতন্ত্র আবারও চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে: প্রেসিডেন্ট স্টাইনমায়ার ইরান পরমাণু অস্ত্র তৈরির পরিকল্পনা প্রায় ছেড়েই দিয়েছে: ট্রাম্প কেন সম্ভাব্য মার্কিন হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে কানাডা? হুতিদের ৯৭ অবস্থানে হামলার দাবি ইয়েমেনি সরকারি বাহিনীর এআই চীন-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ প্রায় বাঁধিয়ে দিয়েছিল, বিশ্লেষকদের সতর্কতা ফ্লাইদুবাইয়ের সেই ভারতীয় পাইলটকে ইসরায়েলের স্বাধীনতা দিবসে আমন্ত্রণ জানালেন নেতানিয়াহু আজ ঢাকার বাতাস অস্বাস্থ্যকর আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল দখলের খুব কাছাকাছি হুতি? মৃত্যুদণ্ড কার্যকরে ব্যর্থতার দায়ে টেনেসির কারাপ্রধানের পদত্যাগ সৌদির আরামকো তেল স্থাপনায় ক্ষেপণাস্ত্র-ড্রোন হামলার দাবি হুতিদের

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী কি মানি লন্ডারিং মামলায় অভিযুক্ত হচ্ছেন?

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২২
  • ২১০ Time View

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং মামলা করা হবে বলে জানিয়েছেন লাহোরের একটি বিশেষ আদালত। এ বিষয়ে পরবর্তী শুনানিতে তাদের উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে। বুধবার পাকিস্তানের সংবাদপত্র ডনের খবরে বলা হয়েছে, আগামী ১৪ মে তাদের বিরুদ্ধে ১৬ বিলিয়ন রুপির মানি লন্ডারিং মামলা করা হবে। আদালতের লিখিত আদেশে বলা হয়েছে, ‘এটি স্পষ্ট করা হয়েছে যে, পরবর্তী শুনানিতে অভিযোগ গঠন করা হবে এবং সব অভিযুক্তকে ব্যক্তিগতভাবে উপস্থিত থাকতে হবে।’

ফেডারেল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (এফআইএ) ২০২০ সালের নভেম্বর মাসে শাহবাজ এবং তার ছেলে হামজা ও সুলেমানের বিরুদ্ধে দুর্নীতিবিরোধী আইনের ৪১৯, ৪২০, ৪৬৮, ৪৭১, ৩৪ ও ১০৯ ধারায় এবং মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের ৩/৪ ধারায় মামলা করে। সুলেমান শাহবাজ বর্তমানে যুক্তরাজ্যে পলাতক রয়েছেন। দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ও ৫(৩) (ফৌজদারি অপরাধ) আইনে ফেডারেল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি আরও ১৪ জনের নাম উল্লেখ করেছে।

পাকিস্তানের একটি বিশেষ আদালত গত ২৭ জানুয়ারি এ মামলায় শাহবাজ ও হামজাকে গ্রেফতার-পূর্ব জামিন দেন। শাহবাজ ও হামজার বিরুদ্ধে যত অভিযোগ চিনি কেলেঙ্কারি মামলায় ১৬ বিলিয়ন রুপি সাদা করার অভিযোগে ২০২১ সালের ডিসেম্বরে পাকিস্তান মুসলিম লিগের (নওয়াজ) সভাপতি শাহবাজ ও হামজার বিরুদ্ধে একটি বিশেষ আদালতে চালান জমা দেয় এফআইএ। তদন্তকারী দল শাহবাজ পরিবারের ২৮টি বেনামি অ্যাকাউন্ট শনাক্ত করেছে। যেগুলোর মাধ্যমে ২০০৮ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে ১৬ দশমিক তিন বিলিয়ন অর্থ লন্ডারিং করা হয়। এফআইএ এ সম্পর্কিত ১৭ হাজার লেনদেন শনাক্ত করে আদালতে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে বলে জানা গেছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, এই অর্থ ‘গোপন অ্যাকাউন্টে’ জমা রাখা হয়েছিল। এফআইএর অভিযোগ, শাহবাজ পরিবারের চিনির ব্যবসার সঙ্গে ১৬ বিলিয়ন অর্থের কোনো সম্পর্ক নেই।  শাহবাজের স্বল্প বেতনের কর্মচারীদের অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে ওই অর্থ হুন্ডি ও হাওয়ালা নেটওয়ার্কের মাধ্যমে পাকিস্তানের বাইরে স্থানান্তরিত করা হয়েছিল। ‘শরিফ গ্রুপের ১১ জন স্বল্প বেতনের কর্মচারী, যারা প্রধান অভিযুক্তের পক্ষে পাচার হওয়া অর্থ ‘দখলে’ রেখেছিলেন। অর্থপাচারে সহায়তা করার জন্য তাদের দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। শরিফ গ্রুপের অন্য তিনজন সহঅভিযুক্তও সক্রিয়ভাবে অর্থপাচারে সহায়তা করেছিল বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

সূত্র: ডন

 

 

কিউএনবি/আয়শা/২৬শে এপ্রিল, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ/দুপুর ১২:৫২

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

October 2026
M T W T F S S
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit