
সিলেট প্রতিনিধি : রোববার সন্ধ্যা ৭টায় মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজেলায় প্রশংসনীয় মঞ্চায়ন হয় মুরারিচাঁদ কলেজের নাট্য সংগঠন থিয়েটার মুরারিচাঁদের নাটক পানিবালা। বড়লেখা উপজেলায় তারুণ্য নাট্য গোষ্ঠীর আয়োজনে এবং উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় ৫ দিনব্যাপী নাট্যোৎসবের দ্বিতীয় দিন রোববার নাটকটি মঞ্চস্থ হয়। নাটক শেষে মঞ্চে নাট্যদলকে শুভেচ্ছা স্মারক তুলে দেন অতিথিবৃন্দ।বাংলাদেশের একটি অঞ্চলের মিথকে কেন্দ্র করে নির্মিত হয়েয়ে নাটক ‘পানিবালা’। নাটকটি রচনা করেছেন বদরুজ্জামান আলমগীর ও নির্দেশনা দিয়িছেন ইয়াকুব আলী ও বিধান সিংহ।
নাটকটির বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেন রেজাউল করিম রাব্বি, ঊষা কান্ত বিশ্বাস, সাব্বির আহমদ শুভ, রিংকু মালাকার, অরুপ তালুকদার শুভ, জুয়েল কান্তি দাস, কামরুল ইসলাম, শিপা রানী, সর্বানী পাল টুম্পা, সুয়েব আহমদ, তাসরিন আক্তার, তুষার তালুকদার, তাহিন মিয়া, প্রভাতী গোস্বামী পপি, অপি ভট্টার্চায, অর্চিতা দেব অর্পা, গৌরব তালুকদার, সম্পা নাথ, দৃষ্টি বর্মণ, অনিক প্রধান ও উম্মে সালমা খান ঋজু।নাটকের আবহ সঙ্গীত পরিকল্পনা ও সুর করেছেন সৌরভ সরকার। আবহ সঙ্গীত প্রক্ষেপণ করেছেন সৌরভ সরকার, সৈকত চন্দ্র দাস, বৃষ্টি বর্মণ। আলোক প্রক্ষেপণে ছিলেন বদরুল আলম, ফাহমিদা এলাহী বৃষ্টি ও তুষার সরকার।
পানিবালা একটি চেনা লোককাহিনীর নাগরকি মিথষ্ক্রিয়া, কৃত্যে, নাট্যে, ইতিহাস আর গার্হস্থ কৃষিকাজের বিন্যাসে তার বিস্তার। একটি মিথকে কেন্দ্র করে নাটকটি গড়ে উঠেছে। প্রচলিত সমাজের বিভিন্ন উপদানগুলোকে নাট্যকার বদরুজ্জামান আলমগীর সহজ ভঙ্গিতে ফুটিয়ে তুলেছেন।দিনাজপুর রামসাগর দিঘির একটি লোককাহিনী পানিবালা আখ্যান নাট্যের মৌল অনু বলে জানিয়েছেন নাট্যকার। যেখানে কোন দিঘির জলধারা নেই কেবলই বালুকারাশি উতালপাতাল করে। সেখানেও মানুষের অন্তর্লোকে শ্রাবণ সন্ধ্যার ঘোরলাগা ঢল, ও জৈন্তা পাহাড় থেকে ঢল নেমে আসে প্রতিনিয়ত। রাজা ধুলিয়ান খান কিংবা ময়ুেরর ওমের ভেতর থেকে সমত্ত হয়ে উঠা ফয়সালের মধ্যকার যে অমীমাংসার দলিল ছিন্ন করার কল্পগাথা আসে, সেখানে চন্দ্রবালা কিংবা তাজিরুনরাই সারা জীবন শক্তি হয়ে জীবন বিলিয়ে দেন অকাতরে।
কিউএনবি/অনিমা/৮ই মার্চ, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ/দুপুর ২:৩৮