স্পোর্টস ডেস্ক : সকালের আর্দ্রতা, নতুন বলের মুভমেন্ট আর পেসারদের আগুনে বোলিং-সবকিছুই বাংলাদেশের পক্ষে ছিল। মাত্র ২৭ রানে ওয়েস্ট ইন্ডিজের তিন উইকেট তুলে নিয়ে দারুণ কিছুর সম্ভাবনাও জাগিয়েছিলেন তাসকিন আহমেদ ও হাসান মাহমুদ। কিন্তু সেই সম্ভাবনা শেষ পর্যন্ত বড় ধাক্কায় রূপ নেয়নি। বরং আমির জাঙ্গুর সেঞ্চুরিতে আজ প্রথম দিন শেষে ২৩৫ রান তুলে স্বস্তিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এমন দিনে বাংলাদেশের একাদশে একজন পেসার কম থাকা নিয়ে নিজের আক্ষেপ লুকাননি তাসকিন।
তাসকিনের কথায় স্পষ্ট, সকালের অনুকূল পরিবেশে আরও একজন পেসার থাকলে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে আরও বেশি চাপে রাখা সম্ভব হতো। কারণ, শুরুতে বল হাতে বাংলাদেশের দুই পেসার যেভাবে আধিপত্য দেখিয়েছেন, তাতে প্রতিপক্ষের ব্যাটিং লাইনআপ আরও দ্রুত ভেঙে পড়ার সম্ভাবনা ছিল। কিন্তু তিন উইকেট হারানোর পর কেভিন উইকহ্যাম ও জাঙ্গুর ১৩১ রানের জুটি ম্যাচের চিত্র পাল্টে দেয়।
সেই ধারাবাহিকতার পরও মিরপুর ও সিলেট-দুই টেস্টেই দুই পেসার ও তিন স্পিনারের সমন্বয়ে একাদশ সাজিয়েছে বাংলাদেশ। সিলেটে শরীফুল ইসলামকে খেলানোর সুযোগ ছিল কি না, সেটিও আলোচনায় এসেছে। বিশেষ করে প্রথম দিনের পারফরম্যান্সে পেসারদের কার্যকারিতা আবারও সামনে এসেছে।
তবে স্পিনারদের অবদানও অস্বীকার করছেন না তাসকিন। তার মতে, টেস্টের শেষ দিকে ফল বের করার ক্ষেত্রে স্পিনারদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। তিনি বলেন, ‘সেখানে কিন্তু এভাবে পরিকল্পনা করা হয়েছে যে ফল বের করার ক্ষেত্রে স্পিনারদের সহায়তা আসতে পারে। তবে এটাও সত্য যে সম্প্রতি আমাদের বেশির ভাগ সময় বোলিংয়ে পেসাররা অনেক সফল। স্পিনাররাও নিঃসন্দেহে ভালো।’
সবশেষে নিজের ব্যক্তিগত মূল্যায়নটিও স্পষ্ট করেছেন এই পেসার। বলেছেন, ‘যেটা আসলে সকালের পরিস্থিতি দেখে এবং সব মিলিয়ে দিনের ব্যাপার মনে হয়েছে। আমার কাছেও ব্যক্তিগতভাবে মনে হয়েছে যে যদি আরেক পেসার থাকত, তাহলে বোলিং ইউনিটের জন্য আরেকটু ভালো হতো। কিন্তু ম্যানেজমেন্টের প্রতি সম্মান রেখে বলছি, যেভাবে তারা দল নির্বাচন করেছেন, তা নিয়েই আমাদের জিততে হবে।
কিউএনবি/আয়শা/০৫ নভেম্বর ২০২৬,/রাত ১০:০০