বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:৪৪ অপরাহ্ন

বৃহস্পতিবার থেকে সেন্ট মার্টিন রুটে চলবে তিন পর্যটকবাহী জাহাজ

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬
  • ২০ Time View

ডেস্ক নিউজ : সেন্ট মার্টিন নৌরুটে তিনটি পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচলের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকালে কক্সবাজার শহরের নুনিয়ারছড়া বিআইডব্লিউটিএ জেটিঘাট থেকে জাহাজ তিনটি দ্বীপের উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়ার কথা রয়েছে।

অনুমোদন পাওয়া জাহাজগুলো হলো এমভি বার আউলিয়া, এমভি কর্ণফুলী ও এমভি টেকনাফ। প্রথম দিনে বাঁকখালী নদীর নুনিয়ারছড়া ঘাট থেকে জাহাজ তিনটি যাত্রী নিয়ে সেন্ট মার্টিনের উদ্দেশে যাত্রা করবে।

বুধবার (৪ নভেম্বর) দুপুরে জাহাজমালিকদের সংগঠন সি ক্রুজ অপারেটর ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (স্কোয়াব) সাধারণ সম্পাদক হোসাইন ইসলাম বাহাদুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

বুধবার দুপুরে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) নৌনিরাপত্তা ও ট্রাফিক শাখার উপপরিচালক সালমা আফরোজ স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে জাহাজ তিনটিকে চলাচলের অনুমোদন দেওয়া হয়।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, জাহাজ তিনটিতে মোট ২ হাজার ২৯৮ জন যাত্রী পরিবহন করা যাবে। এর মধ্যে এমভি বার আউলিয়ার যাত্রী ধারণক্ষমতা ৮৫০, এমভি কর্ণফুলীর ৭৩২ এবং এমভি টেকনাফের ৭১৬ জন।

সময়সূচি অনুযায়ী, এমভি বার আউলিয়া সকাল ৭টায় কক্সবাজার ঘাট থেকে ছেড়ে বেলা আড়াইটায় সেন্ট মার্টিনে পৌঁছাবে। এমভি কর্ণফুলী সকাল ৭টা ১৫ মিনিটে কক্সবাজার ঘাট থেকে যাত্রা করবে এবং সেন্ট মার্টিন ঘাট থেকে বেলা ২টা ১৫ মিনিটে ফিরবে। আর এমভি টেকনাফ সকাল ৮টা ১৫ মিনিটে কক্সবাজার ঘাট থেকে ছেড়ে বেলা সাড়ে ৩টায় দ্বীপে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের গত ২৫ অক্টোবরের এক প্রজ্ঞাপনে ১ নভেম্বর থেকে সেন্ট মার্টিন দ্বীপ পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। তবে জাহাজ চলাচলের প্রয়োজনীয় অনুমোদন না থাকায় প্রথম চার দিন দ্বীপে কোনো জাহাজ চলাচল করেনি।

সংশ্লিষ্টরা জানান, সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের প্রয়োজনীয় অনুমোদন পাওয়ার পর কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের সম্মতিতে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে জাহাজ তিনটি চলাচল শুরু করবে।

সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ নভেম্বর থেকে আগামী ১৫ মার্চ পর্যন্ত সাড়ে চার মাস পর্যটকেরা সেন্ট মার্টিনে যাতায়াত ও রাত্রিযাপন করতে পারবেন। দ্বীপ ভ্রমণে ট্রাভেল পাস ও কিউআর কোডযুক্ত টিকিট বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। প্রতিদিন সর্বোচ্চ সাড়ে তিন হাজার পর্যটক দ্বীপে যেতে পারবেন।

পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে আগের বছরের প্রজ্ঞাপনে আরোপিত বিধিনিষেধও বহাল রয়েছে। এসব বিধিনিষেধ অনুযায়ী, রাতে সমুদ্রসৈকত ও আশপাশের এলাকায় আলো জ্বালানো, উচ্চশব্দ সৃষ্টি এবং বারবিকিউ পার্টির আয়োজন নিষিদ্ধ। কেয়াবনে প্রবেশের পাশাপাশি কেয়াফুল সংগ্রহ, কেনাবেচাও নিষিদ্ধ।

এ ছাড়া সামুদ্রিক কাছিম, পাখি, প্রবাল, শামুক, ঝিনুক, তারামাছ, রাজকাঁকড়া, সামুদ্রিক ঘাস ও শৈবালসহ দ্বীপের জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি করা যাবে না। সমুদ্রসৈকতে মোটরসাইকেল ও সি-বাইকের মতো যানবাহন চলাচলও নিষিদ্ধ থাকবে।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/০৪ নভেম্বর ২০২৬,/সন্ধ্যা ৭:৩৩

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

November 2026
M T W T F S S
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit