শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ০১:০১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
বর্ষীয়ান অভিনেতা নানা পাটেকারকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষবিদায় ডিমের কুসুম খেলে কি হার্টের সমস্যা বাড়তে পারে? নাভি পিল্লের নোবেল জয়ের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আইসিসিতে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা কচ্ছপের স্বর্গ আলদাব্রা, সংখ্যায় ছাড়াল সেশেলসের মানুষকেও চীনের সংশোধিত প্রতিরক্ষা মোবিলাইজেশন আইনের আওতায় প্রায় সব খাত বর্বরতার পথে যুক্তরাষ্ট্র? ফায়ারিং স্কোয়াডে মৃত্যুদণ্ড লাইভ সম্প্রচারের সিদ্ধান্ত ঘিরে তীব্র বিতর্ক দুর্গাপূজায় আতঙ্ক নয়, নিরাপত্তায় সজাগ থাকবে বিএনপি: গয়েশ্বর বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবসে ঢাবিতে দাবা প্রতিযোগিতা চার তরুণের উদ্যোগে ‘সবুজ’ বাঁশবাড়ি, মুগ্ধ পরিবেশমন্ত্রী ঋতু পরিবর্তনে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে খাবেন যে ৫ খাবার

কচ্ছপের স্বর্গ আলদাব্রা, সংখ্যায় ছাড়াল সেশেলসের মানুষকেও

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৬
  • ২৩ Time View

আন্তর্জাতিক ডেস্ক  : বিশ্বের সবচেয়ে বড় মুক্তভাবে বিচরণকারী দৈত্যাকার কচ্ছপের আবাসস্থল সেশেলসের আলদাব্রা অ্যাটল দ্বীপে প্রায় ১ লাখ ৮০ হাজার কচ্ছপের সন্ধান পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। একসময় অতিরিক্ত শিকারের কারণে বিলুপ্তির ঝুঁকিতে পড়া এই প্রজাতির কচ্ছপ এখন সেখানে ভালোভাবে টিকে আছে এবং বংশবৃদ্ধি করছে।

সেশেলস আইল্যান্ডস ফাউন্ডেশন (এসআইএফ) ও যুক্তরাজ্যের এক্সিটার বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতৃত্বে পরিচালিত জরিপে এ তথ্য উঠে এসেছে। বিজ্ঞানবিষয়ক সাময়িকী ইকোলজি অ্যান্ড ইভোলিউশন-এ প্রকাশিত গবেষণায় প্রাপ্তবয়স্ক ও প্রায় প্রাপ্তবয়স্ক কচ্ছপের সংখ্যা আনুমানিক ১ লাখ ৮৩ হাজার বলে হিসাব করা হয়েছে। এই সংখ্যা সেশেলসের মোট মানব জনসংখ্যার চেয়েও বেশি।

২০১৮ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত পাঁচ বছরের গণনার তথ্য বিশ্লেষণ করে এই হিসাব তৈরি করা হয়েছে। ১৯৯০-এর দশকের শেষ দিকে প্রায় ১ লাখ কচ্ছপের যে হিসাব করা হয়েছিল, এরপর এটিই প্রথম হালনাগাদ জরিপ।

গবেষকদের মতে, উনবিংশ শতাব্দীতে অতিরিক্ত শিকারের কারণে দ্বীপটিতে আলদাব্রা প্রজাতির কচ্ছপের সংখ্যা এক হাজারের নিচে নেমে এসেছিল। সংরক্ষণ উদ্যোগের ফলে ১৯৮১ সালে দ্বীপটি কঠোর প্রাকৃতিক সংরক্ষণাগার এবং ১৯৮২ সালে ইউনেসকোর বিশ্ব ঐতিহ্যের স্বীকৃতি পায়।

এসআইএফের প্রধান নির্বাহী ফ্রাউকে ফ্লেশার-ডগলি বলেন, দীর্ঘমেয়াদি সংরক্ষণ প্রচেষ্টার ফলেই দ্বীপটিতে এত বিপুলসংখ্যক কচ্ছপ মুক্তভাবে বিচরণ করছে। গবেষণার সহলেখক ন্যান্সি বানবুরি জানান, ঘন গাছপালার কারণে কচ্ছপ গণনা কঠিন। তাই দেখা ও অদেখা কচ্ছপের হিসাব করতে গাণিতিক মডেল ব্যবহার করা হয়েছে।

তবে কচ্ছপগুলোর জন্য জলবায়ু পরিবর্তন, দীর্ঘ ও ঘন ঘন খরা, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং বুনো বিড়াল ও কালো ইঁদুরের মতো আক্রমণাত্মক প্রাণী এখনো হুমকি। এসব প্রাণী কচ্ছপের ডিম ও সদ্যোজাত বাচ্চা খেয়ে ফেলে।

গবেষকদের আশা, নতুন হিসাব ভবিষ্যতে কচ্ছপের সংখ্যা পর্যবেক্ষণ এবং হুমকি মোকাবেলায় দ্রুত ব্যবস্থা নিতে সংরক্ষণকর্মীদের সহায়তা করবে।

সূত্র: গার্ডিয়ান 

কিউএনবি/অনিমা/০৯ অক্টোবর ২০২৬,/রাত ১১:৫৩

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

October 2026
M T W T F S S
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit