মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪০ অপরাহ্ন
শিরোনাম
প্রতিবন্ধী শিশুদের পুনর্বাসনে ২২ জেলায় হচ্ছে ‘শিশু স্বর্গ’: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী রাজু হত্যা মামলায় সাবেক এমপি মোশতাক রুহী ৪ দিনের রিমান্ডে রোহিঙ্গা সংকটে টেকসই প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক উদ্যোগের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর ফেডারেশন কাপে দারুণ শুরু বসুন্ধরা কিংসের রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে আরও জোরালো ভূমিকা রাখতে চায় ভারত বন্ধুদের সঙ্গে না পেরে ভিন্ন চেষ্টা, ‘গোপন প্রতিভা’ ফাঁস করলেন জাহ্নবী আদালত থেকে পালালেন আসামি, কনস্টেবল বরখাস্ত গোপালগঞ্জে মানব পাচার চক্রের অন্যতম হোতা রঞ্জন মন্ডল গ্রেপ্তার সাংবিধানিকভাবে দায়মুক্তি পাচ্ছেন জুলাইযোদ্ধারা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আগস্ট থেকে ইয়েমেনে বাস্তুচ্যুত ১ লাখ ৩০ হাজারের বেশি মানুষ

মধ্যরাত থেকে ইলিশ ধরায় ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬
  • ২৪ Time View

ডেস্ক নিউজ : ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ রক্ষায় বুধবার (৮ অক্টোবর) মধ্যরাত থেকে তেঁতুলিয়া নদীসহ উপকূলীয় এলাকায় শুরু হচ্ছে ২২ দিনের সরকারি নিষেধাজ্ঞা। আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত টানা ২২ দিন ইলিশসহ সব ধরনের মাছ ধরা বন্ধ থাকবে। তবে মৌসুমজুড়ে কাঙ্ক্ষিত ইলিশ না পেয়ে একদিকে নিরাশ, অন্যদিকে ঋণের চাপে দিশেহারা পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার হাজার হাজার জেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আষাঢ়, শ্রাবণ ও ভাদ্র মাসের প্রধান ইলিশ মৌসুমে ট্রলার মেরামত, নতুন জাল কেনা, জ্বালানি তেল ও বরফ সংগ্রহের জন্য স্থানীয় দাদনদার মহাজন, এনজিও এবং ব্যাংকের দ্বারস্থ হতে হয় জেলেদের। আশায় ছিলেন ভরা মৌসুমে বেশি মাছ ধরে সেই ঋণ পরিশোধ করবেন। তবে বাস্তব চিত্র ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন। পুরো মৌসুমে নদী ও সাগরে ছিল ইলিশের আকাল। বৈরী আবহাওয়া, প্রজনন মৌসুমে অবৈধ জালে মা ইলিশ ও জাটকা নিধন এবং নদীর নাব্যতাসংকটের কারণে জেলেরা কাঙ্ক্ষিত ইলিশের মুখ দেখেননি। ফলে বিক্রি করে ট্রলারের জ্বালানি খরচই উঠেনি অনেক জেলের।

উপজেলার চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের চরওয়াডেল গ্রামের জেলে আফজাল মাঝি (৪৮) ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করে জানান, ট্রলার ও জাল মেরামত এবং তেলের জন্য মহাজন ও এনজিও থেকে তিনি প্রায় সাড়ে তিন লাখ টাকা ঋণ নেন। পুরো মৌসুমে মাছ বিক্রি করেছেন মাত্র এক লাখ ২০ হাজার টাকার। এতে এ বছর নতুন করে দেনা হয়েছেন এক লাখ ৩০ হাজার টাকা। আগের দেনাসহ এখন তার মোট দেনার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় চার লাখ টাকায়।

একই অবস্থা ধুলিয়া গ্রামের জেলে লোকমান হোসেনের (৪২)। পুরো মৌসুমে ছয় লাখ টাকা খরচ করে মাছ বিক্রি করতে পেরেছেন মাত্র সাড়ে চার লাখ টাকার। আগের দাদন ও নতুন দেনা মিলিয়ে তার কাঁধে এখন চার লাখ ২০ হাজার টাকার বোঝা। আফজাল ও লোকমানের মতো উপজেলার কালাইয়া, চন্দ্রদ্বীপ, নাজিরপুর, কেশবপুর ও ধুলিয়া ইউনিয়নের উপকূলীয় এলাকার হাজার হাজার জেলে পরিবার এখন চরম সংকটে।

প্রজনন ও বেড়ে ওঠার সময়টা শতভাগ নিরাপদ করা না গেলে ভবিষ্যতে ইলিশের সংকট আরও তীব্র হবে বলে আশঙ্কা বাউফল উপজেলা মৎস্যজীবী সমিতির সভাপতি মো. বাবুল বেপারীর।

উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা এম এম পারভেজ জানান, বুধবার মধ্যরাত থেকেই নদীতে মৎস্য বিভাগ, পুলিশ, নৌপুলিশ, নৌ-বাহিনী ও কোস্টগার্ডের যৌথ দল সার্বক্ষণিক টহলে থাকবে। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কেউ নদীতে নামলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে সরকারি সহায়তার আওতায় নিবন্ধিত জেলেদের চাল বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

কিউএনবি/অনিমা/০৬ অক্টোবর ২০২৬,/রাত ১০:২৭

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

October 2026
M T W T F S S
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit