আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ইরাকের মাটি ব্যবহার করে সৌদি আরবের ওপর হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন ইরাকি পার্লামেন্টের স্পিকার হেইবাত আল-হালবুসি। এই ঘটনাকে তিনি ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, এ ধরনের কাজ ইরাকের নীতি, জাতীয় স্বার্থ এবং প্রতিবেশীদের সঙ্গে সুসম্পর্কের সম্পূর্ণ পরিপন্থী।
ইরাকের স্পিকার বলেন, সৌদির পূর্ব-পশ্চিম পাইপলাইনে হামলার উৎপত্তিস্থল ‘মায়সান অপারেশনাল কমান্ড’-এর বিরুদ্ধে সরকারি তদন্তকে পার্লামেন্ট পূর্ণ সমর্থন দেয়। জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে, সৌদি আরবের তেল পাইপলাইনে এই ড্রোন হামলার কড়া নিন্দা জানিয়েছে কুয়েতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। সামাজিক মাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে তারা এটাকে সার্বভৌমত্ব ও আন্তর্জাতিক আইনের ‘মারাত্মক লঙ্ঘন’ বলে আখ্যায়িত করেছে। ইরাকের মাটি যেন এ ধরনের হামলার লঞ্চপ্যাড হিসেবে ব্যবহৃত না হয়, তা নিশ্চিত করতে ইরাক সরকারকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানায় কুয়েত। এর আগে বাহরাইনও একই ধরনের বিবৃতি দিয়েছিল।
আঞ্চলিক এই উত্তেজনার মধ্যেই আয়ারল্যান্ডের ডাবলিনে এক সংবাদ সম্মেলন করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সৌদি পাইপলাইনে হামলার জন্য ইরান দায়ী কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘সম্ভবত তারাই দায়ী।’ হুথিদের বিষয়ে ট্রাম্প জানান, তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে লড়াইয়ের আগে তাদের জানিয়ে দেয়। তারা মার্কিন হস্তক্ষেপ চায় না এবং বেশিরভাগ জাহাজকেই নির্বিঘ্নে যেতে দিচ্ছে। শুধু একটি দেশের ওপর তাদের ক্ষোভ রয়েছে, যা যুক্তরাষ্ট্র দ্রুতই মিটিয়ে ফেলবে। সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানকে নিজের ‘ভালো বন্ধু’ উল্লেখ করে ট্রাম্প সবাইকে আশ্বস্ত করেন যে, সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে।
কিউএনবি/অনিমা/১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬,/বিকাল ৫:২১