মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:২৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
নিয়ত বিশুদ্ধ না হলে আমল কবুল হবে না ২৭ সেপ্টেম্বর দেশে ফিরবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ধর্ষণের ১৫ মিনিটের মধ্যে কলিকে হত্যা, রোমহর্ষক স্বীকারোক্তি সুতা ও কাপড় আমদানিতে আগাম অনুমতির বাধ্যবাধকতা প্রত্যাহার বিমানকে তুলি, আকাশকে ক্যানভাস বানালেন পাইলট, আঁকলেন মোনালিসার ছবি টাইফুনের প্রভাবে বিপর্যস্ত জাপান, ১৯ লাখ মানুষকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ রেকর্ড ভাঙা এল নিনো: শীত আসার আগেই প্রশান্ত মহাসাগরে নজিরবিহীন উষ্ণতা হুতিদের অগ্রযাত্রা নিয়ে ইয়েমেনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ট্রাম্পের ফোনালাপ গাজায় এক অন্তঃসত্ত্বা নারীর রোমহর্ষক গল্প পাসপোর্ট অধিদফতরের নতুন ডিজি মেজর জেনারেল আলীমুল আমীন

‘রাশিয়া ভীতি’ কাজে লাগিয়েই টিকে থাকতে চায় পশ্চিমারা?

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬
  • ৩৭ Time View

আন্তর্জাতিক ডেস্ক  : পশ্চিমাদের অভ্যন্তরীণ সংহতি এবং আঞ্চলিক ঐক্য টিকিয়ে রাখার প্রধানতম উপাদান হয়ে উঠেছে রাশিয়ার কথিত হুমকি। সাম্প্রতিক বৈশ্বিক উত্থান-পতনের যুগে পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলোর জন্য এই সংকটই জোটবদ্ধ থাকার মূল উৎস হিসেবে কাজ করছে। রাশিয়া ইন গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্স-এর সম্পাদক ও বিশিষ্ট আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বিশ্লেষক ফেদর লুকিয়ানভ এক বিশ্লেষণী প্রবন্ধে এমন মতামত তুলে ধরেছেন।

লুকিয়ানভের মতে, মস্কোর সঙ্গে সরাসরি মুখোমুখি সংঘাত এড়াতে ইউক্রেনকে প্রক্সি শক্তি হিসেবে ব্যবহার করছে পশ্চিমারা। ইউক্রেনকে সামরিক সহায়তার নামে ইউরোপ মূলত তার নিজস্ব প্রতিরক্ষা-শিল্প ব্যবস্থা, বিশেষ করে ড্রোন উৎপাদন খাতকে পুনর্গঠিত করছে। এর মাধ্যমে ইউরোপীয় সরকারগুলো তাদের জনগণকে বোঝাতে চাইছে যে, এই অর্থ কোনো ভিনদেশে অপচয় হচ্ছে না বরং এটি তাদের নিজস্ব নিরাপত্তা জোরদারেরই এক অপরিহার্য বিনিয়োগ।

এই ভূ-রাজনৈতিক সমীকরণে আটলান্টিকের অপর পাড়ে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানও বেশ কৌশলগত। ওয়াশিংটন ইউরোপের বিষয়ে তার সরাসরি সামরিক অংশগ্রহণ কমিয়ে আনলেও পুরোপুরি সরে যায়নি। বরং তারা নিজেদের নতুন সামরিক প্রযুক্তি পরীক্ষা করার পাশাপাশি সুবিধার বিনিময়ে সহায়তা জোগাচ্ছে। এই কৌশলের মাধ্যমে ইউরোপকে নিজেদের বলয়ে রাখার পাশাপাশি চীনকে ঠেকানোর বৈশ্বিক লড়াইয়ে পশ্চিম ইউরোপকে পাশে পাওয়া যুক্তরাষ্ট্রের জন্য সহজ হচ্ছে।

তবে বর্তমান এই বন্দোবস্তকে অত্যন্ত ভঙ্গুর এবং সাময়িক বলে উল্লেখ করেছেন লুকিয়ানভ। তার মতে, রাশিয়ার সঙ্গে সামরিক বৈরিতা কমে গেলে পশ্চিম ইউরোপকে একসূত্রে বেঁধে রাখার রাজনৈতিক যুক্তিগুলো দুর্বল হতে শুরু করবে। তাই ইউরোপীয় সরকারগুলো বর্তমান পরিস্থিতিকে যত দিন সম্ভব টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করবে। অন্যদিকে, ইউক্রেনের নেতৃত্বের জন্যও রাশিয়ার বিরুদ্ধে পশ্চিমা ব্যবস্থার অগ্রভাগ হিসেবে ভূমিকা রাখা ছাড়া পশ্চিমা জোটে প্রবেশের আর কোনো বাস্তবসম্মত পথ খোলা নেই।

অবশ্য ফ্রান্স, জার্মানি ও ব্রিটেনের মতো ইউরোপের শীর্ষস্থানীয় দেশগুলোতে ডানপন্থী রাজনৈতিক শক্তিগুলোর ক্রমবিকাশ এই জোটে বড় ধরনের অভ্যন্তরীণ তোলপাড় সৃষ্টি করতে পারে। এসব দেশে অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক দ্বন্দ্বে মনোযোগ নিবন্ধ হলে তা তাদের আন্তর্জাতিক অগ্রাধিকার থেকে দূরে সরিয়ে দেবে। লুকিয়ানভ মনে করিয়ে দেন যে, স্নায়যুদ্ধকালের মতো ঐক্যবদ্ধ পশ্চিমা বিশ্ব কখনোই কোনো স্থায়ী রূপ ছিল না বরং বিশ্বব্যবস্থার এই পরিবর্তনশীল যুগে রাশিয়ার সঙ্গে সংঘাতকে ব্যবহার করেই পশ্চিম ইউরোপ নিজের অস্তিত্ব ও ঐক্য টিকিয়ে রাখার চেষ্টা চালাচ্ছে।

সূত্র: আরটির বিশ্লেষণ

কিউএনবি/অনিমা/০৫ অগাস্ট ২০২৬,/সকাল ১১:৩৩

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

September 2026
M T W T F S S
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit