শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১১:২৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
বামনকুমার আলহাজ্ব খোষ মোহাম্মদ সরকার হাফেজিয়া মাদরাসায় যুক্ত হলো বয়স্ক নারী-পুরুষদের কুরআন শিক্ষা বিভাগ গ্যাসের দাম বাড়লেই পেট্রোবাংলা অবরোধ, হুঁশিয়ারি এনসিপির মাটিরাঙ্গা সেনা জোনের উদ্যােগে মানবিক সহায়তা ও বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান। কাতার থেকে পালিয়ে এসে প্রবাসীর বাবাকে হুমকির অভিযোগ, থানায় লিখিত অভিযোগ আফগান সিরিজ ঘিরে বিক্ষোভের শঙ্কা, নিরাপত্তা জোরদার আয়ারল্যান্ডে নেত্রকোনার নারী শিক্ষায় অগ্রবর্তী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান , কংস পাড়ার মেয়ে কংস পাড়ের মনসুর আহমাদ মহিলা কলেজ জুলাই শহীদ-আহতদের পরিবারকে সুখবর দিলেন ভূমিমন্ত্রী চবির অধ্যাপক আতিয়ার এবং ঢাবির অধ্যাপক যুবায়েরের নেতৃত্বে ইউটিএলের ২৫ সদস্যের কমিটি গঠন বাংলাদেশে আসবেন যুক্তরাষ্ট্রের ২৫ শীর্ষ প্রতিষ্ঠানের ৪৫ ব্যবসায়ী চক্রান্ত না করে দেশ গড়ার কাজে আত্মনিয়োগের আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর

আর্জেন্টিনায় কখনো বর্ণবাদের শিকার হইনি: কিকি রামোস

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬
  • ২০ Time View

স্পোর্টস ডেস্ক : ভেলেজ সার্সফিল্ডের তরুণ উইঙ্গার স্টিফেন ‘কিকি’ রামোস প্রথমবারের মতো নিজের জীবনের নানা অধ্যায় নিয়ে মুখ খুলেছেন। হাইতিতে জন্ম নেওয়া হলেও পরে আর্জেন্টিনার নাগরিকত্ব পাওয়া এই ফুটবলার সম্প্রতি দিয়েগো প্লাসেন্তের অধীনে আর্জেন্টিনা অনূর্ধ্ব-১৭ জাতীয় দলে ডাক পেয়েছেন। রেডিও লা রেডকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বর্ণবাদের অভিজ্ঞতা, জাতীয় দলে ডাক পাওয়ার মুহূর্ত এবং ২০১০ সালের হাইতির ভয়াবহ ভূমিকম্পের স্মৃতি তুলে ধরেন।

ইকুয়েডরের বিপক্ষে আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে গোল করা এই তরুণ ফরোয়ার্ড বলেন,আর্জেন্টিনায় আসার পর থেকে আমি কখনো বৈষম্যের শিকার হইনি। নিজেকে কখনো অন্যদের থেকে আলাদা মনে হয়নি। আমার মনে হয়, আর্জেন্টিনা বর্ণবাদী-এই কথাটা মানুষ শুধু বলার জন্যই বলে। আর্জেন্টিনা একটি সুন্দর দেশ।’জাতীয় দলে ডাক পাওয়ার মুহূর্তের স্মৃতিচারণ করে রামোস বলেন,আমি তখন অনলাইনে গণিতের ক্লাস করছিলাম।

ভেলেজের ফিজিক্যাল ট্রেইনারের কাছ থেকে একটি অভিনন্দন বার্তা পাই। ক্লাসে মনোযোগী থাকায় প্রথমে গুরুত্ব দিইনি। পরে বন্ধুদের একের পর এক মেসেজ আসতে থাকে। ট্রেইনারের মেসেজ খুলে দেখি সেখানে ‘এএফএ’ লেখা। প্রথমে বিশ্বাসই করতে পারিনি। এরপর ক্লাস থামিয়ে দৌড়ে গিয়ে বাবা-মাকে খবরটা জানাই।’২০১০ সালে হাইতিতে আঘাত হানা বিধ্বংসী ভূমিকম্পের কথাও তুলে ধরেন তিনি। ওই দুর্যোগে প্রায় দুই লাখ মানুষ প্রাণ হারায় এবং দেশজুড়ে নেমে আসে ভয়াবহ মানবিক সংকট।

রামোস বলেন,
আমার দত্তক নেওয়ার কাগজপত্র আগেই সম্পন্ন হয়েছিল। ভূমিকম্পের সময় আমি তখনও এতিমখানায় ছিলাম। সৌভাগ্যক্রমে আমি সেই শিশুদের একজন ছিলাম, যার কোনো ক্ষতি হয়নি।’
তিনি জানান, কিছুদিন পর তার দত্তক বাবা-মা আরও তিন হাইতিয়ান শিশুকে নিয়ে আর্জেন্টিনায় ফেরেন। আমি বড় হওয়ার পর পুরো ঘটনাটা ভালোভাবে বুঝতে পারি। বাবা-মা আমার এবং আমার ভাইবোনদের জন্য যা করেছেন, তার জন্য আমি সবসময় কৃতজ্ঞ।’
হাইতিতে ফিরে যাওয়ার প্রসঙ্গে রামোস বলেন,
আমি কখনো হাইতিতে যাইনি। আর্জেন্টিনায় যে জীবন পেয়েছি, তাতেই আমি সুখী। ফিরে যাওয়ার কথা কখনো ভাবিনি। তবে হয়তো ভবিষ্যতে এ নিয়ে আগ্রহ তৈরি হতে পারে।’

 

 

কিউএনবি/আয়শা/০১ অগাস্ট ২০২৬,/রাত ১০:১২

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

August 2026
M T W T F S S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit