স্পোর্টস ডেস্ক : রাবিওর মতে, মাঠটি স্বাভাবিক ঘাসের চেয়ে অনেক বেশি কৃত্রিম টার্ফের মতো মনে হয়েছে। মেটলাইফ স্টেডিয়াম সাধারণত এনএফএলের দল নিউ ইয়র্ক জায়ান্টস এবং নিউ ইয়র্ক জেটসের হোম গ্রাউন্ড হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ফাইনাল ছাড়াও এই মাঠে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ হওয়ার কথা।
৩১ বছর বয়সী রাবিও পুরো ম্যাচ খেলেছেন এবং দ্বিতীয় গোলে ব্রাডলি বারকোলাকে অ্যাসিস্টও করেন। তবে ম্যাচ শেষে মাঠ নিয়ে নিজের অসন্তোষ লুকাননি। রাবিও বলেন, ‘মাঠ… একে আদৌ মাঠ বলা যায় কি না জানি না। এটা অনেক বেশি কৃত্রিম টার্ফের মতো অনুভূত হয়েছে, খুব শক্ত এবং বেশ কঠিন।’
রাবিওর এই মন্তব্যের সঙ্গে মিল রয়েছে ব্রাজিল তারকা ভিনিসিউস জুনিয়রের অভিযোগের। মরক্কোর বিপক্ষে ১-১ ড্রয়ের পর তিনিও মাঠের শুষ্ক অবস্থা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন। ভিনিসিয়ুস বলেন, ‘দ্বিতীয়ার্ধে গরমের কারণে মাঠ খুব দ্রুত শুকিয়ে যায়। ফলে খেলার গতি কমে যায় এবং আমরা নিজেদের স্বাভাবিক ছন্দে ফিরতে পারি না।’
বিশ্বকাপের জন্য স্টেডিয়ামটিতে সাময়িকভাবে প্রাকৃতিক ঘাসের মাঠ বসানো হয়েছে। এর আগে এখানে কৃত্রিম টার্ফ ব্যবহার করা হতো। তবে এই কৃত্রিম টার্ফের দুর্নাম রয়েছে। বছরের পর বছর ধরে অনেক এনএফএল তারকা এই মাঠে গুরুতর চোটে পড়েছেন। গত সেপ্টেম্বরে এখানেই মালিক নাবেরসের অ্যান্টেরিয়র ক্রুসিয়েট লিগামেন্ট (এসিএল) ছিঁড়ে যায়। এর ফলে তিনি তথাকথিত ‘মেটলাইফ অভিশাপ’-এর সর্বশেষ শিকার হিসেবে পরিচিত হন।
আগামী ২২ জুন এই ভেন্যুতে সেনেগাল ও নরওয়ে মুখোমুখি হবে। বিশ্বকাপের ১৬টি ভেন্যুর মধ্যে মোট ৮টিতে অস্থায়ী ঘাসের মাঠ বসানো হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বোস্টন স্টেডিয়াম, যেখানে গত সপ্তাহে স্কটল্যান্ড ১-০ গোলে হাইতিকে হারিয়ে বিশ্বকাপ শুরু করেছিল। স্কটল্যান্ড একই ভেন্যুতে শুক্রবার (১৯ জুন) গ্রুপ ‘সি’-এর দ্বিতীয় ম্যাচে মরক্কোর মুখোমুখি হবে।
কিউএনবি/আয়শা/১৭ জুন ২০২৬,/রাত ৮:৪০