আন্তর্জাতিক ডেস্ক : শনিবার (২ মে) বিকেলে দিল্লির সফদরজঙ্গ এলাকায় বাড়ির শৌচাগার থেকে ওই বিচারকের দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পুলিশের প্রাথমিক সন্দেহ ওই বিচারক আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন।
পুলিশ জানায়, তাদের কাছে দুপুর পৌনে একটা নাগাদ ফোন আসে। একটি সংবাদমাধম্যের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফোনের অপরপ্রান্ত থেকে এক ব্যক্তি দাবি করেছিলেন, তার ভাই বাড়ির শৌচাগারে আত্মহত্যা করেছেন।
পুলিশ এসে দেহ নিয়ে হাসপাতালে গেলে, সেখানে চিকিৎসকেরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। মৃত আমান কুমার শর্মা উত্তর-পূর্ব দিল্লির করকরডুমা আদালতে জেলা আইনি পরিষেবা কর্তৃপক্ষের (ডিএলএসএ) সচিব হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, এটি আত্মহত্যা এবং গলায় ফাস দিয়ে মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের চিহ্ন পাওয়া যায়নি, তবে সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এদিকে, এক আত্মীয়ের ভাষ্যমতে, বাবার দেয়া বক্তব্যের বরাত দিয়ে জানা যায়, শর্মা আগের দিন রাত ১০টার দিকে তার বাবাকে ফোন করে বলেছিলেন, ‘আমি খুব সমস্যায় আছি, আমার বেঁচে থাকা কঠিন হয়ে পড়েছে।’
বাবা, যিনি আলওয়ারে ছিলেন, অবিলম্বে দিল্লির উদ্দেশে রওনা হন এবং প্রায় মধ্যরাতে বাড়িতে পৌঁছান। পরিবারের অভিযোগ, গত দুই মাস ধরে শর্মা তার স্ত্রীর সঙ্গে সমস্যায় ভুগছিলেন।
সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে
কিউএনবি/আয়শা/০৩ মে ২০২৬,/সকাল ৬:৫০