রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬, ০৪:৩৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
এবারের ঈদযাত্রায় ৪০২ জনের প্রাণহানি, আহত ১২৯৪: যাত্রী কল্যাণ সমিতি রামিসা হত্যা মামলার রায় বিচারিক প্রক্রিয়ায় মাইলফলক : অ্যাটর্নি জেনারেল গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে এবার আমাদের ঘুরে দাঁড়ানোর পালা: প্রধানমন্ত্রী সোহেলকে ৫ লাখ, স্বপ্নাকে ২ লাখ টাকা জরিমানা, পাবেন রামিসার ওয়ারিশরা গণ-অভ্যুত্থান দিবসে শহীদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা দেবে সরকার রামিসাকে হত্যার আগে ধর্ষণ ও জখমের প্রমাণ মিলেছে : বিচারক রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল-স্বপ্নার ফাঁসির রায় রামিসা হত্যা মামলার রায় পড়া শুরু রামিসা হত্যা মামলার রায় ঘিরে আদালত প্রাঙ্গণে কড়া নিরাপত্তা জোরদার তিন দিনের সফরে রাশিয়া গে‌লেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

অবসর নিতে চান মির্জা ফখরুল, মহাসচিব পদে ‘পরিবর্তনের’ ইঙ্গিত

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৪৮ Time View

ডেস্ক নিউজ : চলতি বছরেই কাউন্সিল আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। আর সেই কাউন্সিলের পর রাজনীতি থেকে অবসর নেওয়ার ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশনকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, দিনক্ষণ এখনো চূড়ান্ত না হলেও চলতি বছরেই বিএনপির কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে তৃণমূল পর্যায়ে সম্মেলন সম্পন্ন করা হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

দলটির সর্বশেষ কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়েছিল প্রায় ১০ বছর আগে। দীর্ঘ সময় ধরে আন্দোলন-সংগ্রাম ও রাজনৈতিক ব্যস্ততার কারণে নতুন করে কাউন্সিল আয়োজন সম্ভব হয়নি বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। সাম্প্রতিক নির্বাচন শেষে বিষয়টি আবারও গুরুত্ব পেয়েছে এবং দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম স্থায়ী কমিটির বৈঠকেও এ নিয়ে আলোচনা হয়েছে, যদিও এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসেনি।

আসন্ন কাউন্সিলে মহাসচিব পদে নতুন মুখ আসবে। মির্জা ফখরুল জানান, রাজনীতি থেকে অবসর নিতে চান। তিনি বলেন, ‘আমি খুবই ক্লান্ত। আগামী কাউন্সিল পর্যন্ত থাকতে হচ্ছে। কাউন্সিলের পর অবসর নিতে চাই। আমার অনেক বয়স হয়ে গেছে। অসুস্থ হয়ে যাচ্ছি।’

উল্লেখ্য, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২০১৬ সালের ৩০ মার্চ থেকে বিএনপির মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে ২০১১ সালের ২০ মার্চ থেকে পাঁচ বছর তিনি ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ছিলেন। ২০০৯ সালে দলের পঞ্চম জাতীয় কাউন্সিলে তাকে সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব করা হয়।

মির্জা ফখরুল ১৯৬০-এর দশকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের ছাত্র থাকাকালীন তার রাজনৈতিক যাত্রা শুরু করেন। সেই সময় তিনি পূর্ব পাকিস্তান কমিউনিস্ট পার্টির ছাত্র সংগঠন পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নে (ইপিএসইউ) যোগদান করেন। তিনি সংগঠনের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এসএম হল ইউনিটের মহাসচিব নির্বাচিত হন। 

মির্জা ফখরুল পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নের বিভিন্ন স্তরের মধ্য দিয়ে উঠে আসেন এবং ১৯৬৯ সালে রাষ্ট্রপতি আইয়ুব খানের বিরুদ্ধে গণঅভ্যুত্থানের তুঙ্গে ওঠার সময় সংগঠনের মর্যাদাপূর্ণ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিটের সভাপতি হিসেবে আবির্ভূত হন। রাজনৈতিক কারণে তাকে গ্রেফতার করা হয় এবং কারাগারে পাঠানো হয়।

শিক্ষাজীবন শেষ করার পর মির্জা ফখরুল ১৯৭২ সালে ঢাকা কলেজে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের (শিক্ষা ক্যাডারের) সদস্য হিসেবে প্রভাষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। তিনি বেশ কয়েকটি সরকারি কলেজে একজন সফল শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। অন্যান্য সরকারি দায়িত্বের মধ্যে তিনি বাংলাদেশ সরকারের পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরে উপ-পরিচালক এবং ইউনেস্কো জাতীয় কমিশনে কাজ করেন। তিনি ১৯৭৯ সালের শেষের দিকে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রশাসনে তৎকালীন উপ-প্রধানমন্ত্রী এস.এ. বারীর ব্যক্তিগত সচিব হিসেবেও কাজ করেন এবং ১৯৮২ সালে এস.এ. বারী পদত্যাগ করার পূর্ব পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন।  

মির্জা ফখরুল ১৯৮৬ সালে সরকারি চাকরি থেকে পদত্যাগ করেন এবং সক্রিয় রাজনীতিতে যোগ দেন। ১৯৮৮ সালে তিনি নিরপেক্ষ প্রার্থী হিসেবে ঠাকুরগাঁও পৌরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ১৯৯০-এর দশকের গোড়ার দিকে দেশব্যাপী এরশাদ বিরোধী আন্দোলনের মধ্যে তিনি বিএনপিতে যোগদান করেন। ১৯৯২ সালে মির্জা ফখরুলকে ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সভাপতি করা হয়।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/১৭ এপ্রিল ২০২৬,/দুপুর ১:৪৪

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

June 2026
M T W T F S S
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit