শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ১০:৪৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
চবির সাবেক জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ফোরামের ইফতার মাহফিলে ছাত্রদলের নবীন- প্রবীণ নেতাদের মিলনমেলা পাকিস্তানের খেলোয়াড়দের জরিমানা হয়নি ১৪তম দিন শেষে যুদ্ধে এগিয়ে ইরান? ‎ইশতেহার বাস্তবায়ন, কৃষির উন্নয়ন ও সামাজিক অপরাধ দূর করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য—- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রানমন্রী ‘শিগগিরই’ ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতার সাথে বৈঠক করবেন পুতিন! আমিরাতের তিন বন্দর এলাকায় হামলার সতর্কবার্তা ইরানের গ্লাভস হেলমেট ছুড়ে মারায় সালমানের শাস্তি ডলার নয়, চাইনিজ ইউয়ানে লেনদেন করলেই খুলবে হরমুজ প্রণালি বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বৃদ্ধি করা উচিত  নিজ দায়িত্বে বাড়ি ঘর পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে: ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার 

কোহলির ক্যারিয়ারই ‘শেষ’ করে দিতে বসেছিল সেই পাকিস্তান ম্যাচ

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ৮ মে, ২০২৫
  • ৫৯ Time View

স্পোর্টস ডেস্ক : ক্রিকেটের ইতিহাসেরই অন্যতম সেরা ব্যাটার বিরাট কোহলি। তবে সে কিংবদন্তির ক্যারিয়ার কি-না অঙ্কুরেই শেষ হতে বসেছিল, অন্তত কোহলি নিজে তাই মনে করছিলেন! সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তেমনটাই বললেন তিনি। 

কোহলি সে সাক্ষাৎকারে ফিরে গেলেন তার ক্যারিয়ারের এক আবেগঘন অধ্যায়ে—২০০৯ সালের আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফির সেই ম্যাচে, যেখানে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ব্যাট করতে নেমে তিনি করেছিলেন মাত্র ১৬ রান। কিন্তু এই ছোট পারফরম্যান্সটাই ছিল তার জীবনের সবচেয়ে বড় শিক্ষা, যা আজও তাকে গড়ে তুলেছে সংকটের মুখে আরও দৃঢ় এক ক্রিকেটার হিসেবে।

সম্প্রতি একটি পডকাস্টে কোহলি খোলামেলা ভাবে জানালেন, কীভাবে ওই ম্যাচে কেমন লাগছিল তার। তিনি বলেন, ‘ওটাই ছিল আমার প্রথম ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ। আমি মাত্র ১৬ করেছিলাম। শাহিদ আফ্রিদিকে সোজা লং-অন দিয়ে ছক্কা মারতে গিয়েছিলাম, কিন্তু ধরা পড়ে যাই। আমরা ম্যাচটা হেরে যাই। তখন আমি এতটাই নার্ভাস ছিলাম, পুরো ইনিংসেই আমার বুক ধড়ফড় করছিল।’ 

যুবরাজ সিংয়ের চোটের কারণে হঠাৎ করে দলে নেওয়া হয় কোহলিকে। সেই চাপ, নিজেকে প্রমাণ করার দায়—সব মিলিয়ে তরুণ কোহলির জন্য পরিস্থিতি ছিল একেবারে অভাবনীয়। তিনি বলেন, ‘ম্যাচ শেষে আমি রাতে ঘুমাতে পারিনি। পাঁচটা পর্যন্ত ছাদের দিকে তাকিয়ে ছিলাম। মনে হচ্ছিল, এটাই শেষ। আমি এক বছর পর দলে ফিরেছি, কিন্তু পুরো সুযোগটাই নষ্ট করে ফেলেছি। জানি না এরপর কী হবে। তখন নিজেকে নিয়ে অনেক সন্দেহ হচ্ছিল। মনে হচ্ছিল, হয়তো আর সুযোগ পাব না।’ 

কিন্তু সেখান থেকেই শুরু হয় তার মানসিক ও কৌশলগতভাবে নিজেকে সামলে নেওয়ার প্রক্রিয়া। কোহলি জানালেন, সে ম্যাচটাই ছিল তার ক্যারিয়ারের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। এমন সংকটের সময়ে কোহলির ক্রিকেট-জীবনে আরেক গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র হয়ে এসেছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার প্রাক্তন উইকেটকিপার মার্ক বাউচার। ২০০৮ সালে আইপিএলে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরে খেলার সময় বাউচারের কাছ থেকে যা পেয়েছিলেন, তা আজও ভুলতে পারেননি কোহলি।

তার কথা, ‘শুরুতে যাদের সঙ্গে খেলেছিলাম, তাদের মধ্যে বাউচারই সবচেয়ে বড় প্রভাব ফেলেছিলেন। তিনি একমাত্র ব্যক্তি ছিলেন যিনি সত্যিই চেয়েছিলেন তরুণ ভারতীয় ক্রিকেটারদের সাহায্য করতে।’ বাউচার কোহলিকে উপদেশ দেওয়ার জন্য অপেক্ষা করেননি। বরং নিজে থেকেই লক্ষ্য করতেন তার খেলা, খুঁজে বের করতেন টেকনিক্যাল ঘাটতি, আর বলতেন, কী করলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে টিকে থাকা সম্ভব হবে।

তিনি বলেন, ‘তিনি আমার শর্ট বল খেলার দিকটি নিয়ে কাজ করতে চাইলেন। বলেছিলেন, ‘আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে শর্ট বল না খেলতে পারলে কেউ তোমাকে সুযোগ দেবে না।’ তিনি আমাকে টেনিস বল দিয়ে নেট সেশনে অনুশীলন করিয়েছিলেন শর্ট বল মোকাবিলার জন্য।’

 

 

কিউএনবি/আয়শা/০৮ মে ২০২৫, /রাত ১১:৩৪

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

March 2026
M T W T F S S
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
2425262728  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit