তিনি বলেন, এ সময় বিক্ষোভকারীদের লক্ষ্য করে তীব্র কাঁদানে গ্যাসের শেলও ছোড়া হয়েছে। ডি-চকের আকাশে কাঁদানে গ্যাসের ঘন মেঘ তৈরি হয়েছে। হায়দার বলেন, নিরাপত্তাবাহিনীর তীব্র গুলি ও কাঁদানে গ্যাস শেলের ব্যবহারে বিক্ষোভকারীরা পিছু হটলেও, পরবর্তীতে আবারও ডি-চকে ফিরেছেন। ইসলামাবাদে চরম উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘আমরা আহত কয়েকজন বিক্ষোভকারীকে নিয়ে যেতে দেখেছি। তারা বলছেন, আহতের সংখ্যা প্রচুর হলেও তারা ডি-চক ছাড়বেন না। সেখানে আরও বেশিসংখ্যক মানুষের সমাগম হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। সরকার কীভাবে এই পরিস্থিতি মোকাবিলা করে, সেটি গুরুত্বপূর্ণ।’
আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ডি-চকে জড়ো হওয়া পিটিআই সমর্থকদের দ্রুত ছত্রভঙ্গ করার লক্ষ্যে রেঞ্জার্সের সদস্যরা তাজা গুলি চালিয়েছে। তাজা গুলির পাশাপাশি কাঁদানে গ্যাসের শেলও ব্যবহার করছে রেঞ্জার্স।
ইসলামাবাদের চারপাশের সড়ক-মহাসড়কে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বসানো প্রতিবন্ধকতা গুঁড়িয়ে দিয়ে মঙ্গলবার সকালের দিকে ইসলামাবাদের প্রাণকেন্দ্র ডি-চকে পৌঁছান পিটিআইয়ের হাজার হাজার কর্মী-সমর্থক। সেখানে পৌঁছে কন্টেইনারে উঠে তারা ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দেন এবং পিটিআই’র পতাকা উত্তোলন করেন।
ইমরান খানের স্ত্রী বুশরা বিবির নেতৃত্বে কর্মীসমর্থকের বিশাল একটি বহর এখনও ইসলামাবাদ থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে রয়েছে। কর্তৃপক্ষের কঠোর প্রতিক্রিয়ার কারণে এই বহরের ইসলামাবাদ অভিমুখী গতি কমিয়ে দেয়া হয়েছে।
এদিকে, খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী ও পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) নেতা আলী আমিন গান্দাপুর পিটিআই’র দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত কর্মীসমর্থকদের ডি-চকে অবস্থান কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছেন।