শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৪৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
বেলজিয়ামের জার্সি তুলে রাখছেন অ্যাক্সেল উইটসেল মেঘনা আলমকে প্রধানমন্ত্রীর ‘মহিলা অ্যাম্বাসেডর’ বললেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী মাঝ আকাশে বিমানের দুই বাংলাদেশি যাত্রীর তুমুল মারামারি, দেখুন ভিডিও বিএনপি কোন ধরনের দল ব্যাখ্যা দিলেন আইনমন্ত্রী ১০ গোলের পর এবার ৬ গোলে হারল বাংলাদেশ নরেন্দ্র মোদিকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জার্মান চ্যান্সেলরের দ্বিমুখী নীতির সমালোচনায় ইরান বিদেশে আরামের বদলে ১০ বছরের কারাবাসকেই বেছে নেব: আসিফ শুভেচ্ছা সফরে চট্টগ্রাম বন্দরে চীনের তিন যুদ্ধজাহাজ হাঁটুর চোটে ৩ সপ্তাহ মাঠের বাইরে বার্সার গোলরক্ষক গার্সিয়া

প্রতি সেকেন্ডে রাবার বুলেট ছুড়লেও শেষ হতে লাগবে পাঁচ বছর, বলেছিলেন আরাফাত

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৪
  • ১১৫ Time View

ডেস্ক নিউজ : তখন দেশ উত্তাল। মারা গেছে বেশ কিছু শিক্ষার্থী। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মিলেমিশে একাকার জনতা। ক্ষমতায় টিকে থাকতে তখনও মরিয়া শেখ হাসিনার সরকার। পেটুয়া পুলিশ বাহিনীকে গুলির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তার প্রমাণ যাত্রাবাড়ি, চাঁনখারপুল, উত্তরা, মিরপুর-১০, রংপুর, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল। নজিরবিহীন হত্যাকাণ্ডকে আড়াল করতে নানা হুমকি-ধমকিতে ব্যস্ত ছিলেন তৎকালীন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত। ছাত্র-জনতার চূড়ান্ত আন্দোলনের মধ্যে তিনি বলেছিলেন, সরকার যদি প্রত্যেক সেকেন্ডে রাবার বুলেট ছোড়ে, তারপরও পাঁচ বছর লাগবে শেষ হতে।

ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) মঙ্গলবার রাজধানীর গুলশান থেকে আরাফাতকে আটক করা হয়। ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় আরাফাত বেশ কিছু মন্তব্য করে সমালোচিত হয়েছিলেন। কী ছিল তার সেসব বক্তব্যে? চলুন, দেখে নেওয়া যাক। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যখন ছাত্রজনতার ওপর গুলি চালাচ্ছিল, তখন চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে—রাবার বুলেটের যোগান শেষ হয়ে গেছে। প্রায় প্রতিষ্ঠিত এই কথাকে নাকচ করে দিয়ে ২১ জুলাই সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মোহাম্মদ আলী আরাফাতকে বলেছিলেন, সরকার যদি প্রত্যেক সেকেন্ডে রাবার বুলেট ছোড়ে, তারপরও পাঁচ বছর লাগবে শেষ হতে; এতো স্টোরেজে আছে, বলে দিচ্ছি আপনাদের (সাংবাদিকদের)।

১৬ জুলাই রংপুরে বেগম রোকেয়া  বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আন্দোলনে পুলিশের গুলির সামনে দুই হাত প্রসারিত করে নিজের বুক পেতে দেন আবু সাঈদ। পরে তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে ছাত্রদের আইকনে পরিণত হন তিনি। তারপর থেকে প্রতিটি স্থানে ছাত্রদের সঙ্গে জনতা যোগ দিয়ে গড়ে তোলে প্রতিরোধ। নড়ে ওঠে স্বৈরশাসকের মসনদ।

২২ জুলাই। তখন আন্দোলন তুঙ্গে। এমন সংঘাতময় পরিস্থিতিতে ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে দুপুরে বৈঠক করেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেষ হাসিনা। ওই বৈঠকে নিহত আবু সাঈদ প্রসঙ্গকে পরোক্ষভাবে তুলে ধরে আরাফাত বলেন, প্রমাণও পাওয়া গেছে, আন্দোলনকারীদের অনেকে, দে ওয়ার ড্রাগড। তাদের ড্রাগ করা হয়েছে। যেন তারা বুক পেতে পুলিশের সামনে চলে আসতে পারে।

পরে এই আরাফাতই বলেছিলেন, আমরাও শিক্ষার্থীদের দাবির পক্ষে। তারা যে দাবি করেছে, সরকারও সেই একই দাবিতে আগেই হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে চেম্বার আদালতে গেছে। অথচ যখন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শুরুতে শিক্ষার্থীরা ধীর পায়ে শান্তি বজায় রেখে এগোচ্ছিলেন, তখন তাদের দাবিকে পাত্তা না দিয়ে ১৩ জুলাই মোহাম্মদ আলী আরাফাত বলেছিলেন, ছাত্রদের যে দাবি—হাইহোর্টের রায় বাতিল করে আগের রায় বহাল রাখতে হবে, আদালতের রায়ে তা পূরণ হয়ে গেছে। এখন আলোচনার আর কোনো সুযোগ নেই।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/২৭ অগাস্ট ২০২৪,/রাত ৮:৩০

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

September 2026
M T W T F S S
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit