শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ০৩:৫৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
আবারও পেছানো হলো আয়াতুল্লাহ খামেনির রাষ্ট্রীয় জানাজা কুলাউড়া সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি যুবক নিহত এটি গণমানুষের বাজেট : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আদ্-দ্বীনের রোগীদের ৬ হাসপাতালে যথাযথ চিকিৎসা দেয়ার নির্দেশনা অভিবাসন কমাতে বড় সিদ্ধান্তের পথে সুইজারল্যান্ড, নজিরবিহীন গণভোটের আয়োজন সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা ছড়ানোর অভিযোগে মমতার বিরুদ্ধে মামলা বিশ্বকাপে ম্যাচের ভাগ্য বদলে দিতে পারেন যারা রবিবার জেনেভায় যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা স্মারক সই হতে পারে : রয়টার্স ট্রাম্পের যুদ্ধ থামানোর সিদ্ধান্তে হতবাক নেতানিয়াহু, জানতেন না কিছুই! ‘নিজের চেষ্টায় উন্নত হতে হবে’, চীনের উদাহরণ টানলেন মির্জা ফখরুল

দিনে তিন-চারটি করে আম খাওয়া কি ক্ষতিকর?

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২০ জুন, ২০২৪
  • ৮৫ Time View

লাইফ ষ্টাইল ডেস্ক :  দেশের বাজার এখন ভরা বিভিন্ন জাতের আমে। আমের গন্ধে যেন মৌ মৌ করছে চারদিক। সকালে দুধ-আম কিংবা দুপুরে খাওয়া শেষ করে পুরো আম অথবা আমের তৈরি মিষ্টি, গরমে আমের স্বাদ যেন অমৃত লাগে।

আমের মৌসুমে ইচ্ছেমত আম খান সবাই। অনেকে আছেন খেতে বসলে তিন-চারটি করে আম খেয়েই তবে উঠেন। আমে নানা ধরনের ভিটামিন এবং খনিজ পদার্থ রয়েছে। শরীরের জন্য স্বাস্থ্যকরও বটে এই ফল। কিন্তু তার মানেই কি যখন তখন আম খাওয়া যাবে? রোজ আম খাওয়া কি শরীরের পক্ষে ভাল?

তা কিন্তু একেবারেই নয়। আম খাওয়ার সাথে স্বাস্থ্যের নিবির সম্পর্ক রয়েছে। একজন মানুষের শারীরিক পরিস্থিতি কেমন, তার উপর নির্ভর করবে যে ওই ব্যক্তি কতটুকু আম খেতে পারবেন, কতটুকু পারবেন না।

তবে পুষ্টিবিদদের মতে, একজন সুস্থ স্বাভাবিক মানুষ অনায়াসেই দৈনিক দু’টো আম খেতে পারেন। তবে নিয়মিত আম খাওয়ার আগে কয়েকটি বিষয় মাথায় রাখা জরুরি।

১. অ্যালার্জি

যতই খাদ্যগুণে ভরপুর হোক আম, একটি অতিরিক্ত ক্ষতির আশঙ্কা কিন্তু লুকিয়ে আছে এই ফলে। বেশি  আম খেলে শরীরে অ্যালার্জির ঝুঁকি বাড়তে পারে। ল্যাটেক্স অ্যালার্জি আক্রান্তদের সাধারণ ক্ষতি করতে পারে। বিশেষ করে যখন কেউ সিন্থেটিক মেটিরিয়ালসের প্রতি সংবেদনশীল থাকেন। প্রকৃতপক্ষে, আমে পাওয়া প্রোটিন ল্যাটেক্সের মতো, তাই যারা  ইতিমধ্যেই অ্যালার্জিতে ভুগছেন এমন লোকদের জন্য এটি সমস্য়া তৈরি করতে পারে।

২. হাই-ব্লাড সুগার

পাকা আমে শর্করার মাত্রা অনেকটাই বেশি। তাই নিয়মিত আম খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা হঠাৎ অনেকটা বেড়ে যেতে পারে। তাই ডায়াবেটিকদের জন্য কিন্তু আম খাওয়া মোটেও স্বাস্থ্যকর নয়। খেতে হলে অবশ্যই আগে চিকিৎসকের সাথে পরামর্শ করে খেতে হবে।

৩. লো-ফাইবার

বেশ কয়েকটি ধরনের আমে ফাইবারের পরিমাণ কম থাকে। অধিকাংশ ফাইবার বেরিয়ে যায় আঁটি আর খোসায়। ফলে হজমের জন্য খুব একটা সুবিধাজনক নয় সব ধরনের আম। যদি আম খেতেই হয়, তবে হাই  ফাইবারে ভরপুর আমের জাত খাওয়া ভালো।

৪. ওজন বৃদ্ধি

অন্যান্য ফলের তুলনায় আমে ক্যালরি কম, প্রাকৃতিক চিনি বেশি এবং ক্যালরি বেশি। এই ফল খেলে তাই অনেকটা ক্যালোরি যায় শরীরে। আর তাই বেশি আম খেলে ওজন বৃদ্ধির আশঙ্কা অনেকটাই বেশি। সুতরাং যাঁরা ডায়েট করছেন, তাঁদের জন্যও আম না খাওয়াই ভাল।

৫. রাসায়নিক ব্যবহার

অনেকেই আছেন যাঁরা এক বসায় দিনে তিন-চারটি করে আম খেয়ে ফেলেন। বেশি আম খেলে আবার আমাশার সমস্যা হতে পারে। বাজারে বেশির ভাগ আমই গাছপাকা নয়, রাসায়নিক ব্যবহার করে পাকানো হয়। তাই আম কাটার আগে ঘণ্টা দুয়েক পানিতে ভিজিয়ে না রাখলে পেটের সমস্যা বাড়তে পারে।

৬. পেটের সমস্যা

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, অতিরিক্ত আম খেলে জিআই ডিস্ট্রেস (গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল ডিস্ট্রেস) বাড়িয়ে তুলতে পারে। আসলে আসলে এতে উপস্থিত কার্বোহাইড্রেট আইবিএস (IBS) অর্থাৎ ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রোমকে ট্রিগার করতে পারে এবং পাচনতন্ত্র নষ্ট করতে পারে।

কিউএনবি/অনিমা/২০ জুন ২০২৪,/দুপুর ২:৩০

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

June 2026
M T W T F S S
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit