স্পোর্টস ডেস্ক : বিপিএলের হারিয়ে যাওয়া দল রাজশাহী রয়্যালস। বিভিন্ন সময়ে রাজশাহী কিংস ও দুরন্ত রাজশাহী নামেও বিপিএলে অংশগ্রহণ করেছে দলটি। ২০২০ সালে বিপিএলের শিরোপাজয়ী দলটি হারিয়ে যাওয়ার পর রাজশাহী বিভাগের প্রতিনিধিত্বকারী আর কোনো ফ্র্যাঞ্চাইজি নেই। এছাড়া ময়মনসিংহ বিভাগ কিংবা নোয়াখালী-গাজীপুরের মতো অঞ্চলগুলোও থেকেও দল নেওয়ার জন্য চাপ বাড়ছে।
সম্প্রতি বিসিবির গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্য সচিব ইসমাইল হায়দার চৌধুরী মল্লিক জানান, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, নোয়াখালী ও গাজীপুর অঞ্চলের প্রতিনিধিত্ব করতে আবেদন জানিয়েছে চারটি ফ্র্যাঞ্চাইজি। তবে দলের সংখ্যা বাড়ানোর সম্ভাবনাও নাকচ করে দিয়েছিলেন মল্লিক। জানিয়েছিলেন, যদি বর্তমানে যেসব ফ্র্যাঞ্চাইজি রয়েছে, তাদের কেউ নাম প্রত্যাহার করে নেয়, তবেই কপাল খুলতে পারে নতুন অঞ্চলের। তবে পুরনো অঞ্চলগুলোর বর্তমান ফ্র্যাঞ্চাইজি সরে গেলে নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজি প্রস্তুত থাকাও অস্বাভাবিক নয়।
এবার বিপিএলে দলে দল বৃদ্ধির সম্ভাবনা নিয়ে মুখ খুলেছেন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন। দেশের ক্রিকেটের এই শীর্ষ ব্যক্তিও অন্তত আগামী মৌসুমে দল বৃদ্ধির সম্ভাবনা দেখছেন না। কেন সম্ভব নয় তার ব্যাখ্যাও দিয়েছেন পাপন।
নাজমুল হাসান পাপন। ছবি: ক্রিকইনফো
গতকাল বিসিবির পরিচালনা পর্ষদের সভা শেষে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে পাপন বলেন, ‘বলা মুশকিল। ২-৩টি ফ্র্যাঞ্চাইজি যোগ হবে কি না… আমাদের সক্ষমতাও দেখতে হবে। প্রথম কথা হচ্ছে, ফ্র্যাঞ্চাইজি যদি যোগ হয় খরচ অনেক বেড়ে যাবে। দ্বিতীয়ত, সময়। একটা টুর্নামেন্টের জন্য যে সময় আমরা পাই… এই সময়ে না করে যদি সময় একটু এদিক সেদিক করতে পারতাম আমরা আরও ভালো ভালো বিদেশি খেলোয়াড় পেতাম। কিন্তু আমাদের উপায় নেই।’
তবে ব্যস্ত সূচি সামলিয়ে বিপিএলকে সারা দেশে দেশে ছড়িয়ে দেয়ার আশাবাদের কথাও তিনি জানান। তবে তার আগে দরকার প্রয়োজনীয় অবকাঠামো, ”দেখুন বিপিএল শেষ হওয়ার সাথে সাথেই শ্রীলঙ্কার সাথে খেলতে হচ্ছে। আমাদের তো ন্যূনতম একটা বিরতি দিতে হয়। এখন আবার প্রিমিয়ার লিগ শুরু হচ্ছে। তারপর সামনে আরও সিরিজ, এরপর বিশ্বকাপ। এত সময় পাওয়া কঠিন হবে। তৃতীয়ত, বাইরের ঐ অবকাঠামো নেই। স্টেডিয়াম আছে, আনুষঙ্গিক যে জিনিস দরকার সেই সুযোগ নেই। আমাদের পরিকল্পনা হলো এটাকে আরও বড় করব, সারা বাংলাদেশে নিয়ে যাব। কিন্তু আগামীবারেই হবে কি না বলা কঠিন।’