স্পোর্টস ডেস্ক : ইনিংসের শুরুর আট ওভার ছিল বাংলাদেশের দখলেই। লঙ্কানদের স্কোরবোর্ডে তখন ২ উইকেটে ৫৪ রান। রান রেটটা ৭ ছুঁইছুঁই। তবে সেখান থেকে ম্যাচ নিজেদের দিকে নিতে থাকে শ্রীলঙ্কা। আট থেকে দশ এই দুই ওভারে করে ২৬ রান। সেই মোমেন্টামটাই পরের আট ওভার পর্যন্ত ধরে রাখে লঙ্কানরা। সেখানে স্রেফ ১ উইকেট হারিয়ে আসে ৮৪ রান। তবে শেষ চার ওভারে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ফের নিজেদের দিকে নেয় বাংলাদেশ। এতে শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৭৪ রানের পুঁজি পায় শ্রীলঙ্কা। সেখানে ৫৫ বলে ৮৬ রানের নান্দনিক এক ইনিংস খেলেন ওপেনার কুশল মেন্ডিস।
এর আগে সিরিজে টানা তিন ম্যাচেই টসে জিতে এবারও আগে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় স্বাগতিকরা। সেখানে শুরু থেকে চাপে রাখে দুই পেসার শরিফুল ইসলাম ও তাসকিন আহমেদ। দলীয় ১৮ রানের মাথায় ম্যাচে প্রথম ধাক্কাটা খায় শ্রীলঙ্কা। চতুর্থ ওভারের প্রথম বলে ওপেনার ধনঞ্জয়া ডি সিলভাকে ফেরান তাসকিন। পরে সেই চাপ অনেকটা সামলে ওঠার পর অষ্টম ওভারে এসে দলের দ্বিতীয় উইকেট হারায় ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গার দল। সেখানে কামিন্দু মেন্ডিসকে ফেরান রিশাদ হোসেন।
মেন্ডিস আউটের পরই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পায় স্বাগতিকরা। তবে শেষ দিকে শানাকার ৯ বলে ১৯ রানের ক্যামিওতে ১৭০ ছাড়ায় সফরকারীদের ইনিংস। ইনিংসের শেষ বলে শানার রান আউটে দারুণ কীর্তি দেখান উইকেটরক্ষক লিটন দাস। ‘নো লুক পজিশন’ থেকে বল থ্রো করে শানাকাকে রান আউটের ফাঁদে ফেলেন লিটন। বোলিংয়ে বাংলাদেশের হয়ে দুটি করে উইকেট নেন তাসকিন ও রিশাদ।
কিউএনবি/আয়শা/০৯ মার্চ ২০২৪,/সন্ধ্যা ৭:০০