শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১২:৪৮ পূর্বাহ্ন

উপহারের চারায় ৭ ফুট লম্বা ছড়ি, মিলল ২ হাজার কলা!

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ২৩ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ১৮৫ Time View

ডেস্ক নিউজ : একটি কলাগাছে প্রায় ৭ ফুট লম্বা একটি ছড়িতে দুই হাজার কলা ধরেছে। গাজীপুর মহানগরীর কাশিমপুর থানার লতিফপুর এলাকায় মনপুরা নামের একটি বিনোদনপার্কে এ কলাগাছের সন্ধান মিলেছে। খবর ছড়িয়ে পড়ায় গাছটি দেখতে প্রতিদিন উৎসুক মানুষ সেখানে ভিড় করছেন।

পার্ক কর্তৃপক্ষ জানায়, দুই বছর আগে মনপুরা পার্কে ঘুরতে এসে এক দর্শনার্থী একটি কলার চারা উপহার হিসেবে দিয়ে যান। সেটি পার্কের ভেতরেই রোপণ করে কর্তৃপক্ষ। ধীরে ধীরে ওই চারা বড় হয়ে কলাও ধরে। 

পরে সেখান থেকে নতুন করে একটি কলার চারা জন্ম নেয়। যেটিতে ছয় মাস আগে কলার ছড়ি বের হয়। ছড়িটিও বড় হতে থাকে। বড় হতে হতে কলার ছড়িটি প্রায় ৭ ফুট লম্বা হয়ে মাটি ছুঁয়ে যায়। ছড়িটিতে ২ হাজার কলা ধরেছে। 

পার্কের দর্শনার্থীরা জানান, এ ধরনের কলার ছড়ি সচরাচর দেখা যায় না। ছড়ির ওপরের অংশের কিছু কলা খাওয়ার উপযোগী। তবে নিচের কলাগুলো একেবারেই ছোট ও খাওয়ার অনুপযোগী।  

জানতে চাইলে মনপুরা পার্কের ব্যবস্থাপক জায়েদ হাসান বলেন, পার্কে কলাগাছের চারাটি রোপণের পর তেমন কোনো যত্ন নেওয়া হয়নি। এমনিতেই বড় হয়। গাছটিতে কলাও ধরে। এবারই প্রথম গাছের কলার ছড়ি এত বড় হয়েছে। 

এবার কলাগাছের ছড়িটি বড় হতে থাকলে গাছটির যত্ন নেওয়া হয়। কলার ছড়ির ভারে যাতে গাছ ভেঙে না পড়ে, তাই দুটি বাঁশের খুঁটি দিয়ে বেঁধে দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এটি হাজারিকা জাতের কলাগাছ। তারা এই গাছের কলা খেয়ে দেখেছেন। খেতে কিছুটা টক। কলার ছড়ি দেখতে অনেকেই দূরদূরান্ত থেকে পার্কে আসছেন বলে জানান তিনি।  

এ ব্যাপারে গাজীপুর সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. হাসিবুল হাসান বলেন, ব্যতিক্রমী এই কলার ছড়ির কথা শুনে তারা পার্কে গিয়েছিলেন। ছড়িতে প্রায় দুই হাজার কলা রয়েছে। ওপরের কলাগুলো খাওয়ার উপযোগী থাকলেও নিচের কলাগুলো খাওয়ার মতো নয়। 

এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে। এখান থেকে নতুন জাত উদ্ভাবন করা সম্ভব কিনা, সে বিষয়ে গবেষণার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও জানান গাজীপুর সদর উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা।

 

কিউএনবি/অনিমা/২৩ ডিসেম্বর ২০২৩/বিকাল ৩:৪৩

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

July 2026
M T W T F S S
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit