আন্তর্জাতিক ডেস্ক : সাইফার (রাষ্ট্রীয় গোপন নথি ফাঁস) মামলায় ফেডারেল ইনভেস্টেগেশন এজেন্সির (এফআইএ) তদন্তে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান ও তার ঘনিষ্ট মিত্র দেশটির সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কোরেশি।
সাইফার মামলা
প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে ইমরান খানকে সরিয়ে দেওয়ার পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের ষড়যন্ত্র রয়েছে, এ অভিযোগ ছিল ইমরানের। আর সেই অভিযোগের প্রমাণ দিতে গিয়ে তিনি একটি নথি প্রকাশ্যে আনেন। জনসভায় তা প্রদর্শনও করেন। সেই নিয়েই ইমরানের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। যদিও ইমরানের দাবি, তিনি যা দেখিয়েছিলেন তা সাইফার অর্থাৎ গোপন খবরের সাংকেতিক রূপ নয়।
গত ৫ আগস্ট তোশাখানা মামলায় পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে তিন বছরের সাজা দিয়েছিল নিম্ন আদালত। এর পাশাপাশি ১ লাখ রুপি জরিমানাও করা হয়েছিল তাকে। বলা হয়েছিল, অনাদায়ে আরও ৬ মাস কারাগারে থাকতে হবে তাকে ও পাঁচ বছর কোনো নির্বাচন লড়তে পারবেন না তিনি।
কিন্তু শেষপর্যন্ত ইসলামাবাদ হাইকোর্ট তার সাজা স্থগিত করে জামিনে মুক্তির নির্দেশ দেয়। তবে সাইফার মামলায় এখনো কারাভোগ করছেন পাকিস্তানের সাবেক এ প্রধানমন্ত্রী।
কিউএনবি/আয়শা/৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৩,/সন্ধ্যা ৭:৫৩