স্পোর্টস ডেস্ক : বাংলাদেশের ছুড়ে দেওয়া ২২৬ রানের লক্ষ্যটা ছুঁতে পারেনি ভারত। তারাও থেমে গেছে ২২৫ রানে। তাতে ম্যাচ হয়েছে ড্র। সিরিজও শেষ হয়েছে ১-১ সমতায়। শেষ ওভারের তৃতীয় বলে মারুফা আক্তারের বলে মেঘনা সিং ক্যাচ আউট হতেই ড্র নিশ্চিত করেন নিগার সুলতানা জ্যোতিরা।
তবে ড্র হলেও খেলা গড়ায় সুপার ওভারে। কিন্তু সুপার ওভার দেওয়া হয়নি। বিধায় ম্যাচের শেষ ফল হয়েছে ড্র। খেলা শেষে টিভিতে ধারাভাষ্যকারকে বলতে শোনা যায়, সময় স্বল্পতার কারণে খেলা গড়াচ্ছে না সুপার ওভারে। কিন্তু তখনও সূর্য অস্ত যায়নি। ফ্লাড লাইটের সুবিধাও ছিল। তবুও কেন গড়াল না খেলা।
সুপার ওভার থাকে সীমিত ওভারের ক্রিকেটের কোনো টুর্নামেন্টে। কিন্তু এটা কোনো টুর্নামেন্ট ছিল না। দ্বিপাক্ষিক সিরিজ। তাছাড়া ম্যাচটা ছিল আইসিসি ওমেন্স চ্যাম্পিয়ন্সশিপের অংশ। যেখানে আবার সুপার ওভার নেই। তবুও সুপার ওভার থাকার একটা সুযোগ থাকত। যদি সিরিজের বাইলজে থাকলেই সেটা রাখা হত। কিন্তু সেটা ছিল কি না তা জানা যায়নি।
ম্যাচ শেষে হারমানপ্রিত কৌরের আচরণের মতো এটাও আলোচ্য বিষয় হয়ে উঠে। সংবাদ সম্মেলনে দুই দলের ক্রিকেটারদেরই তাই জবাব দিতে হয়েছে এই প্রশ্নের। ভারতেরর সহ-অধিনায়ক স্মৃতি মান্ধানার কাছে জানতে চাওয়া হয় তারা সুপার ওভার চেয়েছিলেন কি না? জবাবে তিনি পাল্টা প্রশ্ন করে বলেন, ‘আমরা কি সুপার ওভার চাইতে পারি?’
রপর স্মৃতি যোগ করেন, ‘আমি মনে করি এটা আম্পায়ারদের সিদ্ধান্ত। সুপার ওভার হবে কি হবে না সেটা তারা এবং দুই বোর্ডের আলোচনার বিষয়। মাঠে সুপার ওভারের দাবি করার কোনো সুযোগ ক্রিকেটারদের আছে বলে আমি মনে করি না।’সুপার ওভার না থাকায় খেলা হয়েছে ড্র। এমন সিদ্ধান্তে খুশি কি না এমন প্রশ্নের উত্তরটা স্মৃতি একটু কূটনৈতিকভাবেই দিলেন, ‘সুপার ওভার খেলতে আমরা পছন্দ করি। যদি আমাদের এই সুযোগ দেওয়া হত সেটা আমরা লুফে নিতাম। তবে আমাদের কেউ বলেওনি আর আমরাও এই বিষয়ে জানতে চাইনি।’
সুপার ওভারে গেলে স্মৃতি লুফে নেওয়ার কথা বললেও বাংলাদেশ অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি যেন হাফ ছেড়ে বাঁচলেন সেটা না থাকায়। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে তার কাছে এই বিষয়ে জানতে চাইলে বলেন, ‘এ বিষয়ে আমাদের আসলে বলার কিছু নেই। তবে যদি সুপার ওভারে খেলা হত তাহলে তো ম্যাচটা আমরা হারতেও পারতাম।’
কিউএনবি/আয়শা/২২ জুলাই ২০২৩,/রাত ১১:০০