বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৪৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
নেত্রকোণায় আওয়ামী লীগ নেতা সবুজ গ্রেপ্তার বার্সা ছেড়ে লোনে লিভারপুলে গেলেন আরাউহো ধর্ষণ মামলায় কারাগারে ভারতীয় ক্রিকেটার গাজা নিয়ে মতবিরোধ থাকলেও নেতানিয়াহুর সঙ্গে সম্পর্ক খুব ভালো: ট্রাম্প ছাত্রদের ওপর পুলিশের লাঠিচার্জ, ঝাড়খণ্ড সরকারকে রাহুলের কড়া বার্তা পার্বতীপুরে ভূমিহীন কৃষকের সরকারি বন্দোবস্ত জমি দখল, ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা॥ ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে মামলা ৪ মানবাধিকার সংস্থার আজকের মুদ্রার রেট: ১১ আগস্ট ২০২৬ জুলাই বিপ্লবে রাজপথে থাকা কর্মকর্তাদের মূল্যায়ন করুন: জুলাইযোদ্ধা তৌফিক শাহারিয়ার বিদায় সাকিব, মোস্তাফিজকে ধরে রাখল দুবাই

প্রকৃতি প্রেমীদের হাতছানি দিয়ে ডাকছে এথেন্সের জাতীয় উদ্যান

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ২ নভেম্বর, ২০২২
  • ১৫৭ Time View

ডেস্ক নিউজ : প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি এথেন্সের জাতীয় উদ্যান। প্রায় ৩৮ একর জায়গা নিয়ে রাজধানীর প্রাণকেন্দ্রে কালের সাক্ষী হয়ে আছে রাজকীয় এ বাগান। গ্রিক সংসদ ভবনের পেছনে অবস্থিত উদ্যানটিতে রয়েছে কিছু প্রাচীন ধ্বংসাবশেষ। এক সময় গ্রিক কবিদের আস্তানা হিসেবেও ছিল বেশ পরিচিতি। বর্তমানে সবার জন্য উন্মুক্ত, তাই শহরের কোলাহল আর যান্ত্রিক জীবন থেকে দূরে চিরসবুজের ছোঁয়া পেতে অনেকেই ঘুরতে যান এ উদ্যানটিতে।

চারদিকে নীরব-নিস্তব্ধ একটি পরিবেশ। কোথাও নেই মানুষের হইচই। প্রকৃতি যেন তার রূপ, রস ও সৌন্দর্য সবই ঢেলে দিয়েছে এথেন্স ন্যাশনাল গার্ডেনে। ইতিহাস বলছে, ১৮৩৮ সালে রয়্যাল গার্ডেন নামে এ উদ্যানটির যাত্রা শুরু হয়েছিল। গ্রিসের প্রথম রানী রানী আমালিয়ার আদেশে তৈরি করা হয়েছিল এই উদ্যান। জার্মান কৃষিবিদ ফ্রেডরিক শ্মিট এই বাগানে বৃক্ষ রোপণের জন্য দায়িত্বে ছিলেন। তখন প্রায় ৫০০ টিরও বেশি প্রজাতির গাছ এবং ময়ূর, হাঁস এবং কচ্ছপসহ বিভিন্ন ধরনের প্রাণীর আমদানি করা হয়েছিল।

সেসময় উদ্যানটি শুধু দুপুরে জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত ছিল। কথিত আছে রানী আমালিয়া প্রতিদিন প্রায় তিন ঘণ্টা সময় বাগানে কাটাতেন। তিনি হাঁটতেন এবং ব্যক্তিগতভাবে বাগানের যত্ন নিতেন। পরে ১৯৭৫ সালে গ্রিসে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের পর উদ্যানটির নামকরণ করা হয় ন্যাশনাল গার্ডেন বা জাতীয় উদ্যান এবং এটি জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। এখন এটি সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত খোলা থাকে।

জাতীয় উদ্যানটির ভেতরে রয়েছে সরু গোলকধাঁধা পথ। আছে কাঠের বেঞ্চ। যেখানে বসে অনেকই ডাইরিতে লেখালেখি করেন, কেউ আবার বন্ধুদের সাথে গল্প করেন, আড্ডা দেন। উদ্যানটিতে রয়েছে বেশ কয়েকটি বন্য ছাগল, ময়ূর, মুরগি এবং অন্যান্য প্রাণীসহ একটি ছোট চিড়িয়াখানা। রয়েছে একটি বোটানিক্যাল মিউজিয়াম ও একটি খেলার মাঠ। বিশেষ করে একটি পুকুরে পালন করা হয় হাঁস, আরেকটিতে কচ্ছপ। বর্তমানে বাগানে প্রায় ৭,০০০ গাছ এবং ৩০,০০০ টিরও বেশি গুল্ম রয়েছে। সব মিলিয়ে প্রকৃতি প্রেমীদের হাতছানি দিয়ে ডাকছে এই জাতীয় উদ্যান।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/০২ নভেম্বর ২০২২,খ্রিস্টাব্দ/রাত ৯:১৯

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

August 2026
M T W T F S S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit