শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ১২:২৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
খুঁজছিলেন এক গ্রহ, হঠাৎ বৃহস্পতির চেয়ে দ্বিগুণ বড় গ্রহের খোঁজ পেল না বড়পুকুরিয়া কয়লা ভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ১ নং ইউনিটের বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ  চট্টগ্রামে শিপইয়ার্ডে বিষাক্ত গ্যাসে মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত করে ব্যবস্থা: অর্থমন্ত্রী ভারতের প্রতি বাংলাদেশিদের ইতিবাচক মনোভাব কমেছে মোদির ‘কোলাকুলি’ নিয়ে রাহুল গান্ধীর মশকরা ইনফান্তিনোর পাশ থেকে সরে দাঁড়াল নিউজিল্যান্ডও, চায় স্বাধীন তদন্ত ঢাকার ৪১৬ বছর পূর্তিতে তরুণদের সাইকেল র‍্যালি ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আজই আমার শেষ দিন: নাছির মানুষ নামাজে এসে বলে গ্যাস নাই, গ্যাস দেন: জামায়াত আমির ৫ মাসে লোডশেডিংয়ের ইতিহাস ভেঙেছে সরকার, দেশে গ্যাস-বিদ্যুৎ নেই: নাহিদ

মিয়ানমার আজ আবারও যুক্তি তুলে ধরবে

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২২
  • ৮০ Time View

 

ডেস্ক নিউজ : আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর হত্যা-নির্যাতনের অভিযোগ এড়িয়ে যাওয়ার প্রচেষ্টাকে গাম্বিয়া প্রত্যাখ্যান করেছে। মিয়ানমারের দাবি প্রত্যাখ্যান করার জন্য গাম্বিয়ার আইনজীবীরা জাতিসংঘের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।সোমবার নেদারল্যান্ডসের হেগে অবস্থিত আইসিজেতে মিয়ানমার যুক্তি দেখায়-কোনো সংস্থার প্রক্সি হয়ে অন্য কেউ মামলা করতে পারে না।

বুধবার মিয়ানমারের আপত্তির শুনানিতে গাম্বিয়া জানায়, উত্থাপিত আপত্তিগুলো এর আগেই আদালত নাকচ করে দিয়েছিলেন এবং এবারও তা প্রত্যাখ্যান করা উচিত। আজ মিয়ানমার দ্বিতীয় দফায় যুক্তি পেশের মাধ্যমে গাম্বিয়ার বক্তব্যের জবাব দেবে। এরপর ২৮ ফেব্রুয়ারি গাম্বিয়া দ্বিতীয় দফায় বক্তব্য তুলে ধরবে। খবর এপি ও রয়টার্সের। ২০১৯ সালে আন্তর্জাতিক আদালতে গাম্বিয়া রোহিঙ্গা গণহত্যা মামলাটি করে। গাম্বিয়ার যুক্তি-২০১৭ সালের অভিযানে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী রোহিঙ্গা মুসলিম সংখ্যালঘুদের ওপর যে নিপীড়ন চালায় তা ১৯৪৮ সালের গণহত্যা কনভেনশন লঙ্ঘনের শামিল।

অভিযানটি অবশ্যই গণহত্যার মতো মারাত্মক অপরাধ এবং এজন্য আন্তর্জাতিক আদালতে মিয়ানমারকে অবশ্যই জবাবদিহি করতে হবে। ওই সময় জাতিসংঘের একটি মিশন তথ্য সংগ্রহ করে জানায়, দমন অভিযানের সময় ‘গণহত্যামূলক কাজ সংঘটিত হয়েছে।’রোহিঙ্গা গণহত্যার অভিযোগে আইসিজেতে গাম্বিয়ার করা মামলা খারিজ করতে মিয়ানমারের বর্তমান জান্তা সরকার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। মিয়ানমারের যুক্তি- পশ্চিম আফ্রিকার দেশ গাম্বিয়ার মামলাটি করার কোনো আইনি ভিত্তি নেই। ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থার হয়ে সদস্য দেশের করা মামলাই শুধু আন্তর্জাতিক আদালত আমলে নিতে পারে।

মিয়ানমারের এ দাবির দুদিন পর তা প্রত্যাখ্যান করতে গাম্বিয়ার আইনজীবীরা জাতিসংঘের সর্বোচ্চ আদালতে আবেদন করেন। বুধবার আইসিজের বর্তমান প্রেসিডেন্ট বিচারপতি জোয়ান ডনহিউয়ের সভাপতিত্বে শুনানি শুরু হলে গাম্বিয়ার পক্ষে প্রথমে বক্তব্য দেন অ্যাটর্নি জেনারেল দাওদা জালো। তিনি বলেন, আদালতের সর্বসম্মত সিদ্ধান্তকে পরিবর্তন করার জন্য মিয়ানমার কোনো গ্রহণযোগ্য যুক্তি দেখাতে পারেনি। তাই দ্রুততার সঙ্গে মিয়ানমারের প্রাথমিক আপত্তি নাকচ করা উচিত।

২০২০ সালের ২৩ জানুয়ারি আইসিজের আদেশের ধারাবাহিকতায় এবারও ওই সব আপত্তি নাকচ করা উচিত বলে গাম্বিয়া যুক্তি দিয়েছে। গত বছরের এপ্রিলে লিখিতভাবে মিয়ানমারের সব দাবির দফাওয়ারি অসারতা তুলে ধরে গাম্বিয়া জবাব দিয়েছে।সোমবার রাতে আইসিজের ওয়েবসাইটে এসব প্রকাশও করা হয়। মিয়ানমারের মামলা খারিজ করার আবেদনের রায় দিতে বিচারকদের কয়েক মাস সময় লাগতে পারে। মিয়ানমারের আপত্তির ওপর শুনানি হচ্ছে হাইব্রিড পদ্ধতিতে। কিছুটা আদালতে সশরীর অংশগ্রহণ করে। আর বাকিটা অনলাইনে।

আদালতে গাম্বিয়ার প্রতিনিধি হিসাবে ছিলেন দেশটির বিচারমন্ত্রী ও অ্যাটর্নি জেনারেল দাওদা জালো, সলিসিটর জেনারেল হুসেইন থমাসি। আইনজীবীদের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী পল এস রাইখলার, ইউনিভার্সিটি অব লন্ডনের আন্তর্জাতিক আইনের অধ্যাপক ফিলিপ স্যান্ডস, ব্রাসেলসের অধ্যাপক পিয়ের দেজা, নিউইয়র্কের আসলাম সুলেমানসহ আরও কয়েকজন। মিয়ানমারের আইনি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন দেশটির আন্তর্জাতিক সহযোগিতা মন্ত্রী কো কো হ্লাইং। গত বছর সামরিক অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত গণতন্ত্রপন্থি নেত্রী অং সান সুচির স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন হ্লাইং।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/২৫শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ/সকাল ১১:১৮

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

August 2026
M T W T F S S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit