স্পোর্টস ডেস্ক : সেই ২০১৩ সালে রেকর্ডটা গড়েছিলেন ক্রিস গেইল। এরপর কেটে গেছে ১৩ বছর। এই সময়ে অনেকেই কাছে গেছেন, কিন্তু কেউই ভাঙতে পারেননি। সেই রেকর্ডটা এবার ভেঙে দিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার লুয়ান-ড্রে প্রিটোরিয়াস। পুরুষদের টি-টোয়েন্টিতে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত স্কোরের রেকর্ড এখন তার দখলে।
আগের রেকর্ডটি ছিল গেইলের। ২০১৩ সালে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর হয়ে পুনে ওয়ারিয়র্সের বিপক্ষে তিনি অপরাজিত ১৭৫ রান করেছিলেন। পুনে ওয়ারিয়র্স এখন আর নেই। এবার সেই রেকর্ডটাও ‘নেই’ হয়ে গেল গেইলের। প্রিটোরিয়াস সেই রেকর্ড পেছনে ফেলে দিলেন।
বাঁহাতি ওপেনার প্রিটোরিয়াস শুরু থেকেই ঝড় তোলেন। ফিফটি করতে তার লাগে ২৪ বল। সেঞ্চুরিতে পৌঁছাতে লাগে আর মাত্র ১৬ বল। ৪০ বলেই তিনি তিন অঙ্কে পৌঁছে যান। ১৫০ রানে যান ৫৮ বলে। নাইটসের বোলাররা কোনো সময়ই তাকে থামাতে পারেননি।
পুরো ইনিংসে তিনি মারেন ১৩টি ছক্কা ও ১৫টি চার। নাইটসের সব বোলারই ওভারপ্রতি ১১ বা তার বেশি রান দিয়েছেন। এ ছাড়া বল খেলার হিসাবে পুরুষদের টি-টোয়েন্টির দীর্ঘতম ইনিংসের তালিকায় তিনি অ্যারন ফিঞ্চ ও মার্কাস স্টয়নিসের সমান অবস্থানে আছেন।
প্রিটোরিয়াসের ব্যাটে ভর করে টাইটানস তোলে ৩ উইকেটে ২৬৭ রান। সিএসএ টি-টোয়েন্টি চ্যালেঞ্জের ইতিহাসে এটি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দলীয় স্কোর। এর চেয়ে বড় স্কোর আছে কেবল একটি। সেটিও টাইটানসেরই।
২০২২ সালে একই নাইটসের বিপক্ষে তারা করেছিল ৩ উইকেটে ২৭১। ওই ম্যাচেই ডেওয়াল্ড ব্রেভিস করেছিলেন ১৬২ রান, যা এত দিন এই প্রতিযোগিতার সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত স্কোর ছিল। প্রিটোরিয়াস সেই রেকর্ডও এখন নিজের করে নিলেন। প্রতিযোগিতার ইতিহাসের সবচেয়ে বড় পাঁচটি দলীয় স্কোরই এখন টাইটানসের দখলে।
২০২৬-২৭ মৌসুমে এটি ছিল প্রিটোরিয়াসের প্রথম ম্যাচ। তবে দারুণ ফর্ম নিয়েই তিনি মাঠে নামেন। সেপ্টেম্বরের ত্রিদেশীয় সিরিজে আগের দুই ম্যাচে তিনি করেছিলেন জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ৯৪ ও নামিবিয়ার বিপক্ষে ১০১ রান।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রিটোরিয়াস এখনো নতুন। সব সংস্করণ মিলিয়ে খেলেছেন মাত্র ২২টি ম্যাচ। তবে টি-টোয়েন্টিতে এটি ছিল তার ৯১তম ম্যাচ। এই সংস্করণে তার স্ট্রাইকরেট ১৫০.৪৪।
কিউএনবি/আয়শা/০৩ অক্টোবর ২০২৬,/দুপুর ১:২২