রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৪৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
আদানি বিদ্যুৎকেন্দ্রের দুটি ইউনিট থেকে বাংলাদেশে সরবরাহ শুরু স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে বাধ্যবাধকতা নেই : মীর শাহে আলম পৃথিবীতে মহাবিপর্যয় নেমে এলে তুলনামূলকভাবে নিরাপদ অবস্থানে থাকবে অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ড ৬ষ্ঠ থেকে ১০ম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে যুক্ত হচ্ছে এআই, রোবোটিক্স ও কারিগরি শিক্ষা : মাহ্দী আমিন জেলা-উপজেলায় ডায়ালাইসিস সেবা, ২৫০০ নতুন পদ সৃষ্টি সৌদির সামরিক ঘাঁটিতে হুথিদের মিসাইল ও ড্রোন হামলা দুপুরের মধ্যে ৩ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা পবিত্র ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম ২৩ সেপ্টেম্বর গুলশানে ঝটিকা মিছিল, গ্রেপ্তার ২৫ জন দশ দিনের রিমান্ডে নজরে পুতিনের ‘ডুমসডে প্লেন’, কী আছে ‘ফ্লাইং ক্রেমলিনে’

আদানি বিদ্যুৎকেন্দ্রের দুটি ইউনিট থেকে বাংলাদেশে সরবরাহ শুরু

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ২২ Time View

ডেস্ক নিউজ : ভারতের আদানি পাওয়ারের বিদ্যুৎকেন্দ্রের দুটো ইউনিট চালু হয়েছে। ভারতের ঝাড়খণ্ডের বিদ্যুৎকেন্দ্রের ইউনিট-২ ফের চালু হওয়ার মধ্য দিয়ে কেন্দ্রটির দুটি ইউনিট থেকেই বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হয়েছে।

রোববার দুপুর ২টায় প্রথম ইউনিট থেকে ৭৫৬ এবং দ্বিতীয় ইউনিট থেকে ২৯০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ বাংলাদেশ সরবরাহ করা হয়েছে।

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) সদস্য (উৎপাদন) মো. জহুরুল ইসলাম জানান, ইউনিটটি পুনরায় চালুর পর জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হয়েছে। বর্তমানে ইউনিটটি থেকে উৎপাদন ধীরে ধীরে বাড়ানো হচ্ছে।

পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ (পিজিসিবি)-এর জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. নাহিদ হাসান জানান, বর্তমানে ২ নম্বর ইউনিট থেকে ২৯০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে। কেন্দ্রটির ১ নম্বর ইউনিট থেকে ৭৫৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে।

ধীরে ধীরে দ্বিতীয় ইউনিট থেকে উৎপাদন বেড়ে ৭৫০ মেগাওয়াটে পৌঁছাবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

গত ৯ সেপ্টেম্বর রাত ১২টার দিকে গোড্ডা বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিট থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। এর আগে কেন্দ্রটির দুটি ইউনিট থেকে ঘণ্টায় এক হাজার ৪০০ মেগাওয়াটের বেশি বিদ্যুৎ সরবরাহ হচ্ছিল। একটি ইউনিট বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর সরবরাহ নেমে আসে প্রায় ৭৫৮ মেগাওয়াটে।

এর আগে কয়লা সরবরাহ সংকটের কারণেও কেন্দ্রটির উৎপাদন কমে এসেছিল। ঝড়ের কারণে গত ৭ আগস্ট থেকে কয়লা সরবরাহে বিঘ্ন ঘটে। পরে আগস্টের শেষ দিকে কয়লা সরবরাহ বাড়লে কেন্দ্রটির উৎপাদনও বাড়তে শুরু করে।

দিনের বেলায় প্রায় ৯০০ মেগাওয়াট এবং সন্ধ্যা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত সর্বোচ্চ এক হাজার ২০০ মেগাওয়াট পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ করছিল কেন্দ্রটি।

এদিকে, আদানি কেন্দ্রের একটি ইউনিট বন্ধ হওয়ার সময় বাংলাদেশের বিদ্যুৎব্যবস্থাও চাপে ছিল। গত বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টার দিকে দেশে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১৬ হাজার ৩৪৫ মেগাওয়াট। এর বিপরীতে সরবরাহ করা হয় প্রায় ১২ হাজার ৭৮৮ মেগাওয়াট। ফলে ঘাটতি দাঁড়ায় তিন হাজার ৫৫৭ মেগাওয়াট। ওই দিন গড়ে প্রতি ঘণ্টায় দুই হাজার ৬৫৭ মেগাওয়াট লোডশেডিং হয়।

দুটি ইউনিটই চালু হওয়ায় জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহের ঘাটতি কিছুটা কমবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

২০১৭ সালে আদানি পাওয়ারের সঙ্গে বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তি করে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি)। চাহিদা অনুযায়ী কেন্দ্রটি থেকে দেড় হাজার মেগাওয়াটের বেশি বিদ্যুৎ সরবরাহের রেকর্ড রয়েছে। 

কিউএনবি/অনিমা/১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,/বিকাল ৩:৫৪

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

September 2026
M T W T F S S
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit