বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৩৫ অপরাহ্ন

নাহিদের গতির তোপে ২০০’র আগেই শেষ নিউজিল্যান্ড

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৫১ Time View

স্পোর্টস ডেস্ক : সোমবার (২০ এপ্রিল) মিরপুরের হোম অব ক্রিকেটে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে টস জিতে আগে ব্যাটিং নেয়া নিউজিল্যান্ড নাহিদ রানার গতির তোপে ৪৮.৪ ওভারে ১৯৮ রানে গুটিয়ে গেছে। ওয়ানডে ক্যারিয়ারে দ্বিতীয়বারের মতো ম্যাচে ৫ উইকেট শিকার করলেন নাহিদ রানা।

এর আগে গত মার্চে পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ম্যাচে মাত্র ২৪ রানে ৫ উইকেট শিকার করেছিলেন এই গতিতারকা। এবার নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ১০ ওভারের স্পেলে মাত্র ৩২ রান দিয়ে ৫ উইকেট শিকার করলেন রানা। 

এদিন ব্যাটিংয়ে ব্ল্যাকক্যাপসদের শুরুটা ছিল সাবধানী। প্রথম ৪ ওভার শেষে কিউইদের রান ছিল মোটে ৩। পঞ্চম ওভারে প্রথম তাসকিনের ওপর চড়াও হন কেলি। শেষ দুই বলে টানা দুই বাউন্ডারি মারেন। পরের ওভারে শরিফুলকে ৪ মেরে হাত খুলেন হেনরি নিকোলস। ধীরে ধীরে খোলস ছেড়ে বেরিয়ে আসার ইঙ্গিত দিচ্ছিলেন দুই কিউই ওপেনার।
 
সপ্তম ওভারে অধিনায়ক মিরাজ বল তুলে দেন নাহিদ রানার হাতে। আর ওভারের প্রথম বলেই গতি দিয়ে নিকোলসকে ভড়কে দেন তিনি। ১৪৪.৭ কিলোমিটার/ঘণ্টা গতির হঠাৎ লাফিয়ে ওঠা বল নিকোলসের প্যাডে লাগে। এলবিডব্লিউ হয়ে সাজঘরে ফেরেন ২৬ বলে ১৩ রান করা এই ওপেনার। নিউজিল্যান্ডের স্কোর তখন ২৫ রান।

এক ওভার পর বলে ফিরে প্রথম বলেই আবারও শিকার করেন রানা। এবার ১৪৬.৮ কিলোমিটার/ঘণ্টা গতির বাউন্সারে পরাস্ত করেন উইল ইয়ংকে। রানার এক্সট্রা বাউন্স ও পেসে ভড়কে যাওয়া ইয়ং ব্যাকফুটে চিপ করে ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্টে সোজা ক্যাচ তুলে দেন। ২ রান করে বিদায় নেন ইয়ং।

কেলি ও অধিনায়ক লাথাম মিলে বিপর্যয় সামাল দেয়ার চেষ্টা করেন। তাদের সাবধানী ব্যাটিংয়ে ১৭ ওভারেও ৫০ ছাড়াতে পারেনি নিউজিল্যান্ডের স্কোর। লাথামের সংগ্রাম শেষ হয় ১৮তম ওভারে সৌম্যর সুইংয়ে। ব্যাটের কানায় লেগে উইকেটকিপারের হাতে জমা হয় ক্যাচ। ৩৫ বলে ১৪ রান করেন কিউই অধিনায়ক।  

৫২ রানে ৩ উইকেট হারানোর পর নিউজিল্যান্ডের ইনিংসের হাল ধরেন কেলি-আব্বাস। ৫৬ রানের জুটি গড়ে বিপর্যয় সামাল দেন তারা।
কিছুতেই যখন জুটি ভাঙা যাচ্ছিল না, তখন আবার রানাকে বোলিংয়ে আনেন টাইগার দলপতি মিরাজ। আর তাতেই মিলে সাফল্য। ২৯তম ওভারে আব্বাসকে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিতে বাধ্য করেন রানা। দারুণ রিফ্লেক্সে ক্যাচ তালুবন্দী করেন শততম ম্যাচ খেলতে নামা লিটন দাস।

তবে টাইগারদের গলার কাঁটা হয়ে খচখচ করছিলেন নিক কেলি। এই ওপেনারকে ফিরিয়ে স্বস্তি ফেরান শরিফুল। আউট হওয়ার আগে ১০২ বল খেলে ১৪ চারে ৮৩ রান করেন এই ওপেনার। 
কেলির বিদায়ের পর আর কেউই নিউজিল্যান্ডের ইনিংস টেনে নিতে পারেননি। ৬ রান করা ক্লার্কসনকে রিশাদ, ৩৫ বলে ১৫ রান করা ডিন ফক্সফোর্টকে রানা, ১১ বলে ১২ রান করা ব্লেয়ার টিকনারকে শরিফুল সাজঘরে ফেরান।
 
নবম ব্যাটার হিসেবে দলীয় ১৮৩ রানে আউট হন জেডন লেনক্স (০)। দারুণ ইয়োর্কারে লেনক্সের স্টাম্প তছনছ করে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ফাইভ উইকেট হল পূর্ণ করেন রানা। তাতে ১০ ম্যাচের ক্যারিয়ারে তার উইকেট সংখ্যা দাঁড়াল ১৯!

শেষ উইকেট জুটিতে ১৫ রান যোগ করেন নাথান স্মিথ ও উইল ও’রুর্ক। ১১ বলে ৬ রান করা ও’রুর্ককে আউট করে কিউইদের ইনিংস গুটিয়ে দেন তাসকিন। স্মিথ ১৮ বলে অপরাজিত থাকেন।
নিউজিল্যান্ডের ইনিংসের বাকি পাঁচ উইকেট ভাগাভাগি করেছেন চার বোলার। শরিফুল ২টি এবং তাসকিন, সৌম্য ও রিশাদ ১টি করে উইকেট শিকার করেন।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/২০ এপ্রিল ২০২৬,/সন্ধ্যা ৬:৪০

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

October 2026
M T W T F S S
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit