সাবেক মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী কিসিঞ্জার এমন সময় চীন সফর করছেন যখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের জলবায়ু দূত জন কেরি বেইজিংয়ে চীনা কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করছেন। দুই দেশ কীভাবে জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় সহযোগিতা করতে পারে তা নিয়ে আলোচনা করছেন কেরি।
এর আগে চীন সফর করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন ও অর্থমন্ত্রী জ্যানেট ইয়েলেন।বৃহস্পতিবার বেইজিংয়ের দিয়াওইউতাই স্টেট গেস্টহাউসে চীনা প্রেসিডেন্ট হেনরি কিসিঞ্জারকে স্বাগত জানায়। তবে তাদের বৈঠকে কী নিয়ে আলাচনা হয়েছে সে সম্পর্কে চীনা কর্তৃপক্ষ কোনো বিস্তারতি তথ্য জানায়নি।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চীনা প্রেসিডেন্ট হেনরি কিসিঞ্জারকে একজন ‘কিংবদন্তি কূটনীতিক’ আখ্যা দিয়ে তার প্রশংসা করেছেন। এছাড়া চীনের সঙ্গে মার্কিন সম্পর্কের বোঝাপড়া বৃদ্ধিতে তার ভূমিকার কথা তুলে ধরেন।
এর আগে মঙ্গলবার (১৮ জুলাই) হেনরি কিসিঞ্জার বেইজিংয়ে চীনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী লি শাংফুর সঙ্গে বৈঠক করেছেন। পরে বুধবার এক বিবৃতিতে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়েল মুখপাত্র বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র-চীন উভয়ের মধ্যে সম্পর্কের বরফ গলাতে ড. কিসিঞ্জার ঐতিহাসিক অবদান রেখেছেন। উভয় দেশের মধ্যে বোঝাপড়া বৃদ্ধিতে তার ভূমিকা অপূরণীয়।’তিনি আরও বলেন, ‘চীনের প্রতি আমেরিকার নীতি কিসিঞ্জারের মতো কূটনৈতিক প্রজ্ঞাসম্পন্ন এবং নিক্সনের মতো রাজনৈতিকভাবে সাহসীকতার হওয়া উচিত।’