বিনোদন ডেস্ক : ছিপছিপে চেহারা। শরীর জুড়ে লাবণ্যের ছাপ স্পষ্ট। বয়স যেন সংখ্যামাত্র। মালাইকা অরোরার ক্ষেত্রে তা যেন মিলে যায়। ৫২ বছর বয়সেও কীভাবে যৌবন ধরে রাখা যায় তা ভালো করেই জানেন ‘ছাঁইয়া ছাঁইয়া’ গার্ল। কখনও পশ্চিমী পোশাকে, আবার কখনও বা দেশি লুকে আজও যেন ছ্যাঁকা দেন মালাইকা।
দিনভর নানা অনুষ্ঠান থাকে তার। স্বাভাবিকভাবেই মেকআপ করতে হয় অভিনেত্রীকে। সারাদিন পর রাতে বাড়ি ফিরে তার প্রথম কাজ মেকআপ তোলা। প্রথমে তিনি ক্লিনজিং বাম ব্য়বহার করেন। হালকা গরম পানিতে কাপড় ভিজিয়ে মুখ মুছে নেন। কিছুক্ষণ পর ক্লিনজার দিয়ে ফের মুখ পরিষ্কার করেন। এভাবে ডবল ক্লিনজিং প্রক্রিয়ায় ত্বক পরিষ্কার করেন মালাইকা।
মুখ পরিষ্কারের পর মালাইকা ফেস মিস্ট ব্যবহার করেন। এরপর হায়ালুরোনিক অ্যাসিডযুক্ত প্রসাধনী ব্যবহার করেন অভিনেত্রী। রূপচর্চার এখানেই শেষ নয়। হায়ালুরোনিক অ্যাসিড ত্বকের শুষ্কতা দূর করে। বলিরেখা দূর করে ত্বক করে আরও টানটান এবং উজ্জ্বল। চোখের ড্রপ এবং জয়েন্টের ইঞ্জেকশনেও ব্যবহার হয় হায়ালুরোনিক অ্যাসিড।
পেপটাইড সিরামও ব্যবহার করেন মালাইকা। এই পেপটাইড সিরাম প্রতিদিন ব্যবহারের ফলে ত্বকের নিজস্ব সুরক্ষা বলয় মজবুত হয়। কোলাজেন তৈরি হয়। তার ফলে ত্বকের বলিরেখা কমায়। ত্বক নরম ও উজ্জ্বল রাখতেও সাহায্য করে পেপটাইড সিরাম। সিরামের শেষ পর্বে চোখের তলায় ক্রিম মাখেন মালাইকা। খানিকটা সিরাম হাতেও মেখে নেন অভিনেত্রী। তার ফলে চোখের তলার চামড়া আরও টানটান হয়। ফোলাভাব দূর হয়। চোখের তলায় কালি পড়ার সমস্যা থেকেও রেহাই পাওয়া যায়।
সবশেষে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করেন মালাইকা। যা তার ত্বকের শুষ্কতা দূর করতে সাহায্য করে। তাই শীত, গ্রীষ্ম, বর্ষা কখনই ময়েশ্চারাইজার মাখতে ভোলেন না অভিনেত্রী। ত্বকের যত্নের পাশাপাশি ঠোঁটের ক্ষেত্রে কখনও কোনও অবহেলা করেন না মালাইকা। কারণ, লিপস্টিক ব্যবহারের ফলে ঠোঁট শুষ্ক হয়ে যেতে পারে। তা থেকে রেহাই পেতে লিপবাম মাখেন। তাতে ঠোঁট থাকে নরম ও সুন্দর।
কিউএনবি/আয়শা/২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬,/সন্ধ্যা ৭:৩৩