মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬, ১১:২৬ অপরাহ্ন

হাকালুকি হাওর পাড়ের কৃষকদের ফসল নিয়ে দুর্দশা, ঘরে তোলার সংগ্রাম

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ৩ মে, ২০২৬
  • ৭৭ Time View

ডেস্ক নিউজ : টানা সাত দিন ধরে বৈরী আবহাওয়া, অবিরাম বৃষ্টি এবং পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বন্যার সঙ্গে লড়াই করে এশিয়ার বৃহত্তম হাওর হাকালুকি থেকে বোরো ধান কাটার প্রাণপণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন কৃষকরা।  পানির নিচ থেকে কেটে আনা ধান ডেরায় রেখে পচন ধরতে শুরু করেছে। অনেকেই ধানের আশা প্রায় ছেড়ে দিয়েছেন।

সরেজমিনে হাকালুকি হাওরের দক্ষিণ তীরের কুলাউড়া উপজেলার জয়চণ্ডী ও ভুকশিমইল ইউনিয়নে গিয়ে দেখা যায়, প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যেও কৃষকরা ধান কাটার কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। কেটে আনা ধান স্তুপ করে রাখা হয়েছে। মাড়াইয়ের জন্য রোদের অপেক্ষায় আছেন তারা।

ধলিয়া বিলে গিয়ে জয়চণ্ডী ইউনিয়নের মীরশংকর গ্রামের মান্নান মিয়া, রইছ আলী, লতিফ মিয়া ও আব্দুল করিম জানান, পাঁচ দিন আগে কাটা ধান স্তুপ করে রাখা হয়েছে।  মেশিন ছাড়া মাড়াইয়ের সুযোগ নেই।  কিন্তু এখন শ্রমিকও পাওয়া যাচ্ছে না। তার আগেই ধান পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে। তাদের মতে, বৈরী আবহাওয়ার কারণে ধানের আশা ছেড়ে দেওয়া ছাড়া আর উপায় নেই।

শুধু মীরশংকর নয়, পার্শ্ববর্তী সাদিপুর, কোরবানপুর, গৌড়করণ ও ভুকশিমইলসহ বিভিন্ন গ্রামে ঘুরে একই ধরনের হতাশার চিত্র পাওয়া গেছে। কৃষকদের অধিকাংশই জানান, বছরে একবারই বোরো চাষ হয়, যা সারা বছরের খাদ্য।  এবার অনেকেই খাদ্য সংকটে পড়ার আশঙ্কা করছেন।

ভুকশিমইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আজিজুর রহমান মনির বলেন, হাওর তীরের অর্ধেকের বেশি বোরো ধান পাহাড়ি ঢলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেওয়া জরুরি।

কুলাউড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. জসিম উদ্দিন জানান, হাওর এলাকায় প্রায় ৯০ শতাংশ ধান কাটা সম্পন্ন হয়েছে এবং উঁচু এলাকায় ৬৫ শতাংশ ধান সংগ্রহ করা হয়েছে। তবে চলমান বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে বাকি ধান সংগ্রহ করা কঠিন হয়ে পড়বে

 

 

কিউএনবি/আয়শা/০৩ মে ২০২৬,/সকাল ৭:৪০

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

May 2026
M T W T F S S
 1234
567891011
12131415161718
19202122232425
2627282930  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit