শান্তা ইসলাম ,,নেত্রকোনা প্রতিনিধি : নেত্রকোণার পূর্বধলা উপজেলায় দলবদ্ধ ধর্ষণ মামলার আসামি মাসুদকে গ্রেপ্তার করেছেন স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। আজ সোমবার (১২অক্টোবর) বিকাল আনুমানিক সাড়ে ৪টার সময় এসআরবি-১৪ ময়মনসিংহ সদর কোম্পানি কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ সামসুজ্জামান (সিপিএসসি) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এসআরবি-১৪ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, নেত্রকোণা জেলার পূর্বধলা উপজেলার বাসিন্দা প্রধান আসামি আনারুল ইসলাম (২২)-এর সাথে ভুক্তভোগী নারীর প্রেমের সম্পর্ক হলে তারা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। বিবাহের পর তাদের সম্পর্কের অবনতি হলে ভুক্তভোগী নারীকে আনারুল তালাক প্রদান করেন। তালাক প্রদানের পর আনারুল ভুক্তভোগী নারীকে দেখা করতে বলেন। ভুক্তভোগী নারী তার কথামতে ২০২৫ সালের ২৯ডিসেম্বর সন্ধ্যা অনুমান ৭টার দিকে তার সাথে দেখা করেন এবং আনারুলের বাড়িতে যান।
পরবর্তীতে একই তারিখ রাত্রি অনুমান সাড়ে ১১টার দিকে ভুক্তভোগী নারীকে জোরপূর্বক আনারুল জনশূণ্য এলাকায় নিয়ে যায়। সেখানে আসামিসহ সহযোগী আসামিরা ভুক্তভোগী নারীকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী নেত্রকোণার পূর্বধলা থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার পর থেকেই আসামিরা আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপন করে আসছিল।
মামল রুজুর পর এসআরবি-১৪, সিপিএসসি, ময়মনসিংহ পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারের তৎপর হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ১১ অক্টোবর রোববার দিবাগত সোমবার রাত অনুমান ৩টার সময় এসআরবি-১৪, সিপিএসসি, ময়মনসিংহ এর একটি আভিযানিক দল নেত্রকোণা জেলার পূর্বধলা থানার কান্দুলিয়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে এজাহার নামীয় ৩ নং আসামি মাসুদ (১৮) কে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।
এরআগে এসআরবি-১৪ ময়মনসিংহ সদর কোম্পানির অভিযানিক টিম গত ৪অক্টোবর ময়মনসিংহ জেলার মুক্তাগাছা থানার চেঁচুয়াবাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে প্রধান আসামি আনারুল ইসলাম (২২) কে গ্রেপ্তার করেছেন। আরও জানা গেছে, গ্রেপ্তার হওয়া আসামি মাসুদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পূর্বধলায় থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
কিউএনবি/আয়শা/১৩ অক্টোবর ২০২৬,/রাত ১২:৩৩