বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ০২:৪৯ পূর্বাহ্ন

বাংলাদেশের সঙ্গে তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক বিনিময় জোরদার করবে চীন : চীনা রাষ্ট্রদূত

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ৩ জুলাই, ২০২৩
  • ২৮৩ Time View

ডেস্ক নিউজ : ঢাকায় চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেছেন, বেইজিং ঢাকার সঙ্গে আধুনিকায়ন, বাংলাদেশ-চীন উন্নয়ন কৌশলের সমন্বয়ে তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক বিনিময় জোরদার করবে। বাংলাদেশে চীনা প্রতিষ্ঠানগুলো বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়নের প্রচারে এবং চীন ও বাংলাদেশের মধ্যে বন্ধুত্বকে আরও গভীর করবে।

রবিবার রাতে চীনা দূতাবাসে আয়োজিত ‘চীন-বাংলাদেশ অংশীদারিত্ব-বিল্ডিং স্ট্রং কমিউনিটি টুগেদার রিপোর্ট লাঞ্চ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ছিলেন চীনা রাষ্ট্রদূত। অনুষ্ঠানে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন এবং চাইনিজ এন্টারপ্রাইজেস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (সিইএবি) সভাপতি কে চাংলিয়ান অনুষ্ঠানে প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করেন।

ইয়াও বলেন, কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশে কর্মরত শত শত চীনা প্রতিষ্ঠান পরিবেশ সুরক্ষা, সৎ কার্যক্রম, কমিউনিটি সেবা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, কর্মচারী প্রশিক্ষণ, জনকল্যাণ এবং দাতব্য কার্যক্রম গ্রহণের মাধ্যমে তারা সামাজিক দায়িত্ব পালনে দীর্ঘ মেয়াদী বিনিয়োগ করেছে। তিনি বলেন, ‘আমরা দুই দেশের জনগণের বন্ধুত্বকে শক্তিশালী করবো, মঙ্গল বাড়াবো, একে অপরের ঘনিষ্ঠ হয়ে উঠবো এবং বন্ধুত্বের আরও দূত গড়ে তুলব যাতে চীন-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে চলে যায়।’

রাষ্ট্রদূত বলেন, এ বছর বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভের ১০ম বার্ষিকী এবং চীনের উদ্যোগে বাংলাদেশের অংশগ্রহণের ৭ম বার্ষিকী। তিনি বলেন, ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে, বাংলাদেশে-চীনা উদ্যোগগুলো মানবজাতির জন্য ভাগ করা ভবিষ্যতের একটি সম্প্রদায় গড়ে তোলার ধারণাকে দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। সক্রিয়ভাবে বৈশ্বিক উন্নয়ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করেছে। বাংলাদেশকে তার উন্নয়ন সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে সাহায্য করেছে, এবং তাদের বাংলাদেশি প্রতিপক্ষের সঙ্গে নিজস্ব উন্নয়ন অভিজ্ঞতা এবং অর্জন শেয়ার করেছে।’

ইয়াও বলেন, বাংলাদেশে চীনা দূতাবাস বাংলাদেশে বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ সংক্রান্ত একটি গবেষণা প্রতিবেদন লেখার নেতৃত্ব দিচ্ছে, যা চীন-বাংলাদেশ বন্ধুত্বের বর্তমান পরিস্থিতি এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়নের দিকটি ব্যাপকভাবে প্রদর্শন করে। তিনি আরও বলেন, আমরা অদূর ভবিষ্যতে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করবো। 

রষ্ট্রদূত বলেন, এ বছর চীনের সহায়তার কাঠামোর আওতায় চীন বাংলাদেশকে প্রশিক্ষণের জন্য চীনে যাওয়ার এবং ডিগ্রি শিক্ষায় অংশগ্রহণের প্রায় ২’টি সুযোগ দেবে। তিনি আরও বলেছেন, চীন ভবিষ্যতে প্রতি বছর প্রশিক্ষণার্থীর সংখ্যা বজায় রাখবে এবং ক্রমাগত বৃদ্ধি করবে।

বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কের ক্ষেত্রে অবদানের জন্য রাষ্ট্রদূত ছয় বাংলাদেশি নাগরিকের হাতে ‘চীন-বাংলাদেশ অ্যাম্বাসেডর ফ্রেন্ডশিপ অ্যাওয়ার্ড’ তুলে দেন।রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘চীন-বাংলাদেশ অ্যাম্বাসেডর ফ্রেন্ডশিপ অ্যাওয়ার্ড’ প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য হল আরও বাংলাদেশী যুবকদের কঠোর অধ্যয়ন করতে এবং তাদের স্বপ্ন অনুসরণ করতে উৎসাহিত করা, তাদের চীন-বাংলাদেশ বন্ধুত্বের মহাকাব্যিক গল্পে অবদান রাখতে উৎসাহিত করা এবং তাদের আত্মনিয়োগ করতে অনুপ্রাণিত করা। দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা’। 

চীনা দূতাবাস অ্যাওয়ার্ড বিজয়ীদের একজনের নাম আলিফা চিন এবং তার পরিবারকে এ বছর চীন সফর করার ব্যবস্থা করবে। চীনা উদ্যোগের সাথে কাজ করা অন্য পাঁচজন বিজয়ীর জন্য প্রাসঙ্গিক সংস্থাগুলো তাদের পদোন্নতি,বেতন বৃদ্ধি এবং বর্তমান প্রকল্পগুলো শেষ হওয়ার পর কাজ করার ব্যবস্থা করেছে। সূত্র: বাসস

 

 

কিউএনবি/আয়শা/০৩ জুলাই ২০২৩,/সন্ধ্যা ৬:২৮

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

June 2026
M T W T F S S
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit