১৯শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং | ৪ঠা আশ্বিন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | দুপুর ১:১৫

মাগুরায় দু’পক্ষের সংঘর্ষে আহত

মাগুরা প্রতিনিধি: পুরনো বিরোধ মীমাংসার জন্য মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার ঝগড়দিয়া গ্রামের বিবদমান দুটি পক্ষকে গতকাল বিকেলে থানায় ডাকা হয়েছিল। অথচ তার আগেই সকালে উভয়পক্ষ নতুন করে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়েছে।

এতে উভয়পক্ষের আহত হয়েছে অন্তত ৩০ জন নারি-পুরুষ। এলাকাবাসী জানায়, জেলার মহম্মদপুর উপজেলার ঝগড়দিয়া গ্রামে সামাজিক আধিপত্য বিস্তার নিয়ে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা কাইয়ুম মোল্লা ও মাহবুবুর রহমান সমর্থিত দুটি গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে।

যার জের ধরে ইতোপূর্বে ওই গ্রামে হত্যাকাণ্ড, হাতুড়িপেটা, বাড়িঘর ভাঙচুরসহ নানারকম অপ্রীতিকর ঘটনার সৃষ্টি হয়েছে। যা নিয়ে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে থানা ও আদালতে অন্তত ছয়টি মামলা রয়েছে। সম্প্রতি এলাকার বিরোধ কমিয়ে আনতে এবং অতীতের সব মামলার নিষ্পত্তির লক্ষ্যে পুলিশের পক্ষ থেকে উদ্যোগ নেওয়া হয়।

যার ধারাবাহিকতায় মহম্মদপুর থানার ওসি উভয়পক্ষকে গতকাল বিকেল ৪টায় থানায় উপস্থিত হওয়ার জন্য আহ্বান জানান। অথচ তার আগেই সকাল ১০টার দিকে উভয়পক্ষ নতুন করে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়।

ঝগড়দিয়া বাজারের একাধিক ব্যবসায়ী জানান, সকাল ১০টার দিকে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা কাইয়ুম মেম্বারের সমর্থক ওয়াহাব মোল্লা সিদ্দিক বিশ্বাসের চায়ের দোকানে চা খেতে গেলে প্রতিপক্ষ মাহবুবুর রহমানের সমর্থকরা অতর্কিতে তাকে কুপিয়ে জখম করে। এই খবর ছড়িয়ে পড়লে উভয় পক্ষের সমর্থকরা নতুন করে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

যা ঝগড়দিয়া গ্রামের বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। এতে একই গ্রামের দুটি পক্ষের মধ্যে চলা সংঘর্ষে প্রতিপক্ষের সড়কি, বল্লম ও ইটপাটকেলের আঘাতে অন্তত ৩০ জন কমবেশি আহত হয়েছে। এদের মধ্যে মনিরুল মোল্লা, হিরুন মোল্লা, পিন্টু মোল্লা, সৈয়দ ডালিম, হায়াত খান, ওহাব মোল্লা, আলিম মোল্লা, সৈয়দ সাহিদ, শামিম খান, ধলা মিয়া, মিটুল মোল্লা এবং রোমেছা বেগমকে মাগুরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এ বিষয়ে মহম্মদপুর থানার ওসি তরিকুল ইসলাম জানান, এলাকার বিরোধ মীমাংসার জন্য চেষ্টা করলেও গ্রামবাসী নতুন করে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েনের পাশাপাশি অন্তত ১৫ জনকে আটক করা হয়েছে।

কিউএনবি/ রিয়াদ/৯ই এপ্রিল, ২০১৭ ইং/সকাল ৮:৩২